চিলিতে প্রতিবাদ সভাকে কেন্দ্র করে জনতা-পুলিস খণ্ডযুদ্ধ

Update: September 10, 2012 10:04 IST

চিলির স্বৈরচারী শাসক অগাস্তো পিনোশের ক্ষমতা দখলের বর্ষপূর্তিতে আয়োজিত প্রতিবাদ সভা রণক্ষেত্রের চেহারা নিল। প্রতিবাদ সভাকে কেন্দ্র করে জনতা-পুলিস খণ্ড যুদ্ধ বেধে যায় স্যান্টিয়াগোর রাজপথে। অগাস্তো পিনোশের ক্ষমতা দখলের উনচল্লিশ বছর পূর্তি হবে আগামিকাল। তার আগে তাঁর শাসনকালে নিহত, আক্রান্ত এবং নিখোঁজদের পরিবারের সদস্যেরা জমায়েত হয়েছিলেন চিলির রাজধানী স্যান্টিয়াগোতে। ছিলেন মানবাধিকার কর্মীরাও।

রাজনৈতিক সদস্য সমর্থক এবং সাধারণ নাগরিকেরাও এই জমায়েতে অংশ নেন। সিটি প্লাজা থেকে শুরু হয়ে রাজধানীর প্রধান সমাধিস্থল পর্যন্ত মিছিল করেন তাঁরা। মিছিল থেকেই গণ্ডগোলের সূত্রপাত। কালো কাপড়ে মুখঢাকা একদল প্রতিবাদকারী রাজপথেই আগুন জ্বেলে ব্যারিকেড তৈরি করেন। পুলিস বাধা দিতে গেলে কড়া পানীয় ছোঁড়েন। বিক্ষোভকারীদের প্রতিহত করতে কাঁদানে গ্যাস ছোঁড়ে পুলিস। উনিশশো তিয়াত্তরের এগারই সেপ্টেম্বর প্রেসিডেন্ট সালভাদোর অ্যালেন্দের সরকারকে অপসারণ করে ক্ষমতায় আসেন অগাস্তো পিনোশে। কিন্তু তার পরের সতের বছর দুর্বিসহ কেটেছে চিলির মানুষের। অগাস্তো পিনোশের শাসনকালে প্রায় তিন হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এখনও খোঁজ নেই অগণিত মানুষের। অত্যাচারিত হয়েছেন প্রায় আঠাশ হাজার মানুষ।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।