ভারতের তীব্র আপত্তি সত্ত্বেও চিন পর্যন্ত পাক অধিকৃত কাশ্মীরে বাস পরিষেবা চালু করল ইসলামাবাদ

ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রবীশ কুমার বলেন, “পাক অধিকৃত কাশ্মীরের উপর দিয়ে যাওয়া বিতর্কিত করিডরে বাস চলাচলে কড়া প্রতিবাদ জানায় ভারত। এই পরিষেবা ভারতের সার্বভৌমত্ব এবং সীমান্ত লঙ্ঘন করছে।”

Somnath Mitra | Updated: Nov 6, 2018, 04:26 PM IST
ভারতের তীব্র আপত্তি সত্ত্বেও চিন পর্যন্ত পাক অধিকৃত কাশ্মীরে বাস পরিষেবা চালু করল ইসলামাবাদ
ফাইল চিত্র

নিজস্ব প্রতিবেদন: ভারতের তীব্র বিরোধিতায় ‘কর্ণপাত’ না করে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের উপর দিয়ে বাস পরিষেবা চালু করল পাকিস্তান ও চিন। সোমবার রাতে লাহোরের গুলবার্গ থেকে চিনের খাসগড়ের দিকে রওনা দেয় প্রথম বাস। যাত্রাপথ ৩০ ঘণ্টার। কিন্তু পাক অধিকৃত কাশ্মীরের গিলগিট-বাল্টিস্তান উপর দিয়ে এই রুট যাওয়ায় তীব্র আপত্তি জানিয়েছিল ভারত।

আরও পড়ুন- রহুল ঝড়ে দুর্গ ভাঙল বিজেপির, কংগ্রেস-জেডিএস ৪, রক্ষা পেল ইয়েদুরাপ্পার আসন

ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রবীশ কুমার বলেন, “পাক অধিকৃত কাশ্মীরের উপর দিয়ে যাওয়া বিতর্কিত করিডরে বাস চলাচলে কড়া প্রতিবাদ জানায় ভারত। এই পরিষেবা ভারতের সার্বভৌমত্ব এবং সীমান্ত লঙ্ঘন করছে।” দিল্লির প্রশ্নে কার্যত নিরুত্তর থেকেছে ইসলামাবাদ। ভারত প্রথম থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছে চিন পাকিস্তান অর্থনৈতিক করডির (সিপেক) প্রকল্পের। এমনকি আন্তর্জাতিক স্তরে বিভিন্ন সময়ে সিপেক ইস্যুকে তুলে ধরা হয়েছে। ভারতের সীমান্ত লঙ্ঘন করে কীভাবে পাকিস্তানের মদতে চিন করিডর তৈরি করছে, তা রাষ্ট্রসঙ্ঘের মঞ্চে সওয়াল করেছে নয়া দিল্লি। তবে, এ দিনের বাস পরিষেবা চালু হওয়ায় কিছুটা অস্বস্তিতে পড়েছে কেন্দ্র।

রবীশ কুমার বলেন, “চিন-পাকিস্তানের ১৯৬৩ সালে করা চুক্তি স্বীকৃতি দেয় না ভারত। এটি সম্পূর্ণ বেআইনি এবং অর্থহীন।” তাঁর দাবি, পাকিস্তান এবং চিন পরস্পরে কোনও সীমান্ত শেয়ার করে না। ভারত এবং আফগানিস্তানের মাটি ব্যবহার করেই তৈরি হয়েছে সিপেক প্রকল্প। উল্লেখ্য, গত ৩ নভেম্বর বাস পরিষেবার চালু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নিরাপত্তার কারণেই পিছিয়ে দেওয়া হয় এই সিদ্ধান্ত। জানা যাচ্ছে, লাহোর থেকে খাসগড় যাতায়াত নিয়ে টিকিটের মূল্য ২৩ হাজার টাকা। যাত্রী পিছু ২০ কিলোগ্রামের বেশি মাল বহন করা যাবে না। যাত্রার সময় ভিসা, পাসপোর্ট এবং ফেরত্ টিকিট রাখতে হবে যাত্রীদের।