পরিবর্তনের লক্ষ্যে চিন কমিউনিস্ট পার্টির কংগ্রেস শুরু আজ

Update: November 8, 2012 12:51 IST

বড়সড় পরিবর্তন আসতে চলেছে চিনের কমিউনিস্ট পার্টি এবং সরকারে। আজ থেকে বেজিংয়ে শুরু হয়েছে চিনা কমিউনিস্ট পার্টির অষ্টাদশ কংগ্রেস। জানা যাচ্ছে, এই পার্টি কংগ্রেসেই দলের শীর্ষনেতৃত্বে বড়সড় পরিবর্তন হতে চলেছে। হু জিনতাও চিনের প্রেসিডেন্ট পদ থেকে অবসর নিতে পারেন। কে তাঁর স্থলাভিষিক্ত হবেন সেদিকে তাকিয়ে রয়েছে গোটা বিশ্ব। তবে, আজই রাজধানী বেজিংয়ের গ্রেট হলে কংগ্রেসের উদ্বোধন করেন প্রেসিডেন্ট হু জিনতাও। দলীয় কংগ্রেসে অংশ নিয়েছেন ২ হাজারেরও বেশি প্রতিনিধি।

সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মনোন্নয়ন, বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে পরিকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে সিপিসি কংগ্রেসে আলোচনা হবে। উদ্বোধনী ভাষণে জিনতাও বলেন, চিনের উন্নয়নকে আরও বেশি করে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তোলা এই মুহুর্তে অন্যতম লক্ষ্য। তবে, দেশের আর্থিক নীতিতে তিনি যে সংস্কারপন্থী পথ নিয়েছেন, তা নিয়ে দলীয় কংগ্রেসে দীর্ঘ আলোচনা-সমালোচনা হবে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রেসিডেন্ট পদ থেকে হু জিনতাও সরে গেলে চিনের অর্থনৈতিক নীতিতে কোনও বড় পরিবর্তন হবে কিনা, সে প্রশ্নও উঠে আসছে। বিশ্ব অর্থনীতিতে চিনের প্রভাব শক্তিশালী করতে বেশ কিছু বড় পদক্ষেপ নেন হু জিনতাও। যার জেরে চিন পিছনে ফেলে দেয় মার্কিন অর্থনীতিকেও। কিন্তু, হু জিনতাওয়ের নীতি নিয়ে বেশকিছু প্রশ্ন রয়েছে। বামপন্থী অর্থনীতিবিদদের অনেকেই মনে করেন, যে অর্থনৈতিক রাস্তায় চিন হাঁটছে তাকে বামপন্থী বলা যায় কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। 

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।