ফের শিশু মৃত্যু মালদহে

Update: November 27, 2012 10:37 IST

ফের মালদহ মেডিক্যাল কলেজে শিশু মৃত্যু। গত ২৪ ঘণ্টায় সাতটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। প্রত্যেকটি শিশুর বয়সই এক বছরের কম। গত চারদিনে মৃত্যু হয়েছে ১৭টি শিশুর।

এর আগেও মালদহ মেডিক্যাল কলেজে একদিনে একাধিক শিশু মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল। বিভিন্ন ক্ষেত্রে চিকিত্‍‍সায় গাফিলতি ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের অভিযোগ উঠেছিল। সমস্যা এড়াতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছিল স্বাস্থ্য দফতর। হাসপাতালের তরফ থেকেও বেশকিছু প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু গত একবছরে নিউ ন্যাটাল কেয়ার ইউনিট চালু বিশেষ কিছু হয়নি। চিকিত্‍‍সক, নার্স ও শয্যার সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব থাকলেও তা কার্যকর হয়নি। ফলে একই শয্যায় একাধিক শিশুকে রাখা হচ্ছে।

নতুন করে শিশু মৃত্যুর ঘটনায়, স্বাস্থ্য দফতরের গাফিলতিই প্রকট হয়ে উঠছে। তবে অধিকাংশ শিশুকেই আশঙ্কাজনক অবস্থায় আনা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল সুপার।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।