দেবযানী খোবরাগাড়ে বিতর্ক ভারত-মার্কিন সম্পর্কে প্রভাব ফেলেছে, স্বীকার করল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

Last Updated: Saturday, January 4, 2014 - 21:05

দেবযানী খোবরাগাড়ে গ্রেফতার ভারত-মার্কিন সম্পর্কে প্রভাব ফেলেছে। নয়াদিল্লির পর একথা মেনে নিল মার্কিনযুক্তরাষ্ট্রও। মার্কিন স্বরাষ্ট্রদফতরের মুখপাত্র মেরি হর্ফ বলেছেন কোনও বিষয়ে স্বরাষ্ট্রসচিব দুঃখপ্রকাশ করছেন মানেই বিষয়টি যে ঠিক পথে নেই তা বুঝে নিতে হবে। তবে সোশাল মিডিয়ায় ভারতীয় কূটনীতিক হেনস্থার যে ছবি আপলোড করা হয়েছিল তা ভুয়ো বলে জানিয়েছেন তিনি।

আমেরিকার উপর পাল্টা চাপ বাড়িয়েছে নয়াদিল্লি। লাইসেন্স ছাড়া আমেরিকান সেন্টারে কোনও ছবি যেন দেখানো না হয়, নির্দেশিকা জারি করেছে কেন্দ্র। দেবযানী খোবরাগাড়ে কাণ্ডে দুঃখপ্রকাশ করলেও নয়াদিল্লির দাবি মেনে ক্ষমা চায়নি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এমনকী মামলা প্রত্যাহারের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিয়েছে ওয়াশিংটন। এই টানাপোড়েন দুদেশের সম্পর্কে প্রভাব ফেলেছে বলে মন্তব্য করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যের পর সম্পর্কে অবনতির কথা স্বীকার করে নিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও।

মার্কিন বিদেশ দফতরের উপ মুখপাত্র মেরি হর্ফ বলেছেন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে চিড় ধরিয়েছে কূটনীতিক হেনস্থা। কোনও বিষয়ে স্বরাষ্ট্রসচিব দুঃখপ্রকাশ করছেন মানেই বিষয়টি যে ঠিক পথে এগোচ্ছে না তা বুঝে নিতে হবে। পাশাপাশি মেরি হর্ফ বলেছেন দেবযানী খোবরাগাড়ে হেনস্থা নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় যে ভিডিও আপলোড করা হয়েছিল তা ভুয়ো। প্ররোচনামূলক ওই ভিডিওটি সাজানো বলেই মম্তব্য করেছেন তিনি। ওই ধরনের প্ররোচনামূলক ভিডিও তোলা দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয় বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। তবে কূটনীতিক হেনস্থা কাণ্ডের জেরেই পাল্টা চাপ বাড়িয়েছে নয়াদিল্লি। লাইসেন্স ছাড়া কোনও সিনেমা আমেরিকান সেন্টার যেন না দেখায় সেজন্য মার্কিন দূতাবাসকে বলেছে কেন্দ্র। লাইসেন্স নেওয়ার জন্য ২০ জানুয়ারির ডেডলাইন বেধে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।



First Published: Saturday, January 4, 2014 - 21:05


comments powered by Disqus