যুদ্ধপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে আজও উত্তাল বাংলাদেশ

Update: February 12, 2013 09:12 IST

একাত্তরের যুদ্ধাপরাধ মামলায় কাদের মোল্লাসহ অন্য অভিযুক্তদের ফাঁসির দাবিতে উত্তাল বাংলাদেশ। শাহবাগ স্কোয়ারে বিক্ষোভকারীদের আন্দোলন আজ অষ্টমদিনে পড়ল। ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুন্যাল আইন সংশোধনের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে মন্ত্রিসভার বৈঠকে।  নিজেদের দাবিকে জোরদার করতে ফেসবুকের মত সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটকেও হাতিয়ার করেছেন  আন্দোলনকারীরা।     

ঢাকার শাহবাগ স্কোয়ার। গত সাতদিন ধরে যুদ্ধাপরাধ মামলায় অভিযুক্তদের ফাঁসির দাবিতে ঢাকার এই রাস্তাতেই জমায়েত চালিয়ে যাচ্ছেন আন্দোলনকারীরা। প্রতিদিনই বাড়ছে জমায়েতে অংশগ্রহণকারী মানুষের সংখ্যা। জোরালো হচ্ছে কাদের মোল্লাসহ অন্য অভিযুক্তদের ফাঁসির দাবি।

পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে সোমবারই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বৈঠকে বসেন মন্ত্রিসভার সদস্যেরা। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধনের প্রস্তাব অনুমোদিত হয় এই বৈঠকে। আইন সংশোধন হলে কাদের মোল্লাসহ অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবে সরকার।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুন্যাল আইন সংশোধনের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন হওয়াকে স্বাগত জানিয়েছেন আইনজীবীরাও।

নিজেদের দাবির সমর্থনে ফেসবুকের মত সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটেও জনমত গড়ে তুলছেন  আন্দোলনকারী। আন্দোলনের সমর্থনে বিভিন্ন ব্লগেও ভালই সাড়া পাচ্ছেন তাঁরা।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।