ভারত মহাসাগর কাঁপিয়ে ফের ভূমিকম্প

Update: April 11, 2012 16:13 IST

ফের ভয়াবহ ভুমিকম্প ভারত মহাসাগরের গভীরে। বুধবার বেলা ২টো ০৮ মিনিট ৩৮ সেকেন্ডে রিখটার স্কেলে ৮.৭ তীব্রতার কম্পনের তীব্রতায় কেঁপে ওঠে ভারত মহাসাগর সংলগ্ন দেশগুলি। কম্পন অনুভূত হয় কলকাতা ও দেশের দক্ষিণ উপকূলের শহরগুলিতে। বান্দা আছে থেকে ৪৩৪ কিলোমিটার পশ্চিমে, সুমাত্রার পশ্চিম উপকূল ছিল কম্পনের উপকেন্দ্র। তীব্রতায় ২০০৪ সালের বক্সিং ডে ভূমিকম্পের কাছাকাছি হলেও ভূমিকম্পের জেরে এখনও কোনও প্রাণহানি বা ক্ষয়ক্ষতির খবর মেলেনি। ভূমিকম্পের জেরে ভারত মহাসাগর সংলগ্ন ২৬টি দেশে সুনামির সতর্কতা জারি করে পেসিফিক সুনামি ওয়ার্নিং সেন্টার। যদিও ভূমিকম্পের ধরণ জানার পর সতর্কতা প্রত্যাহার করেন ভূকম্প বিশেষজ্ঞরা।

কম্পন অনুভূত হয়েছে গোটা দেশ জুড়ে। দক্ষিণ ভারতের উপকূলবর্তী শহরগুলিতে কম্পন অনুভূত হয়েছে। কম্পনের জেরে আতঙ্ক ছড়ায় বেশ কয়েকটি এলাকায়। ভূমিকম্পের জেরে আতঙ্ক ছড়ায় কলকাতার বিভিন্ন একালাতেও। বেশ কয়েকটি বাড়িতে ফাটল দেখা গিয়েছে। নিরাপত্তার কারণে ৪৫ মিনিট বন্ধ ছিল মেট্রো চলাচল। বহুতলের বাসিন্দারা প্রায় ১ মিনিট কম্পন অনুভব করেছেন বলে জানিয়েছেন। সল্টলেকের সেক্টর ফাইভের কর্মীরা অফিস থেকে বেরিয়ে আসেন। তবে ভূমিকম্পের জেরে এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর নেই।





Post Your Comment

Total Comments:10

Thank you for your information

Very Good News Coverage 24ghanta

We should not be panicked. Sumatra being in the ring of fire is very earthquake prone. West bengal is a very safe place.

We should not be panicked. Sumatra being in the ring of fire is very earthquake prone. West bengal is a very safe place.

now after time

asdsadadasdasds s asdas asd asdasd

Too bad...nothing to say

Too bad...nothing to say

thanks 24 ghanta

Please don,t make any panic. My personally request to everybody.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।