বস্টন বিস্ফোরণ: পুলিসের গুলিতে মৃত এক সন্দেহভাজন

বস্টন ম্যারাথন বিস্ফোরণে অভিযুক্ত দুই সন্দেহভাজন চেচনিয়ার বাসিন্দা বলে জানিয়েছে পুলিস। দুজনের মধ্যে একজন পুলিসের গুলিতে মারা গিয়েছে।  মৃতের নাম তামেরলন সারনাইভ। অপর সন্দেহভাজন, ১৯ বছরের জোখর সারনাইভকে খুঁজতে বাড়ি বাড়ি চিরুনি তল্লাসি চালাচ্ছে পুলিস। বস্টনের গভর্নর সাধারণ মানুষকে বাড়ি থেকে না বেড়তে আর্জি জানিয়েছেন।

Updated: Apr 19, 2013, 12:51 PM IST

বস্টন ম্যারাথন বিস্ফোরণে অভিযুক্ত দুই সন্দেহভাজন চেচনিয়ার বাসিন্দা বলে জানিয়েছে পুলিস। দুজনের মধ্যে একজন পুলিসের গুলিতে মারা গিয়েছে।  মৃতের নাম তামেরলন সারনাইভ। অপর সন্দেহভাজন, ১৯ বছরের জোখর সারনাইভকে খুঁজতে বাড়ি বাড়ি চিরুনি তল্লাসি চালাচ্ছে পুলিস। বস্টনের গভর্নর সাধারণ মানুষকে বাড়ি থেকে না বেড়তে আর্জি জানিয়েছেন।
পলাতক অপর সন্দেহভাজন জোখর সারনাইভ বস্টনের উপকণ্ঠে কেমব্রিজের বাসিন্দা। পুলিস তাকে বিপজ্জনক জঙ্গি হিসেবে চিহ্নিত করেছে। বস্টনের পুলিস কমিশনার এড ডেভিস জানিয়েছেন, "আমাদের বিশ্বাস এই ব্যক্তি (জোখর সারনাইভ) একজন আতঙ্কবাদী।"
তবে সন্দেহভাজন দুজনেই বৈধ বাসিন্দা বলে জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে প্রায় বনধের চেহারা নিয়েছে বস্টনের একাংশও। প্রশাসন ওয়াটারটাউন, নিউটাউন, আরলিংটন, ওয়ালথাম, বেলমন্ট, কেমব্রিজ এবং অ্যালস্টন ব্রাইটন অঞ্চলের সাধারণ মানুষকে বাড়ির বাইরে না আসতে বলেছেন। এই অঞ্চলগুলিতে আনুমানিক আড়াই লক্ষ মানুষের বাস। অধিকাংশ পরিবহণ, দোকানপাট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার পুলিসের সঙ্গে গুলিযুদ্ধে এক সন্দেহভাজন, তারমেলনের মৃত্যু হয়। সূত্রে খবর, বস্টনের কাছে ওয়াটারটাউনে তীব্র গুলির লড়াইয়ের পর এক সন্দেহভাজন পুলিসের কবলে আসে। পরে পুলিস তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে।
প্রথমে একটি গ্যাস স্টেশনে ডাকাতি তারপর বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বস্টনের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি ক্যাম্পাসের বাইরে শুক্রবার এক পুলিস কর্মীকে গুলি করে খুন করা হয়। এরপরেই পুলিসবাহিনী সন্দেহভাজনের দুজনের গাড়ি ধাওয়া করে ওয়াটারটাউনে পৌঁছায়। 
পুলিসের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে ওই দুই সন্দেহভাজন গুলির সঙ্গে বিস্ফোরকও ব্যবহার করেছিল বলে দাবি করেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
সূত্রে খবর গুলির লড়াই চলার সময় এমআইটিতে মারা গিয়েছেন এক পুলিস অফিসারও। গুরুতর আহর অপর আর এক পুলিস কর্মী।
বস্টনের বেশির ভাগ অংশ বিশেষ পুলিস বাহিনী ঘিরে রেখেছে। দ্বিতীয় সন্দেহভাজনের খোঁজ চালাচ্ছে তারা।

By continuing to use the site, you agree to the use of cookies. You can find out more by clicking this link

Close