৯ বছরে ফেসবুক

Update: February 5, 2013 17:52 IST

নয় নয় করে ৯-র পা দিল ফেসবুক। আর ৯ বছরেই সদস্য সংখ্যা এক বিলিয়ন ছাড়িয়ে ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী। ২০০৪-এর ৪ ফেব্রুয়ারি হাভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্ডারগ্র্যাড ছাত্র মার্ক জ্যুকরবার্গ আর তাঁর রুমমেট ক`জন মিলে খেলার ছলে সোশ্যাল মিডিয়াটির জন্ম দেন। প্রথমে কলেজ নেটওয়ার্কে সোমাবদ্ধ থাকলেও ক্রমেই ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের মতো ছড়িয়ে পড়ে বিশ্ব জুড়ে।

এক নজরে ফেসবুক টাইমলাইন
:

২০০৪-এর সেপ্টেম্বরে ফেসবুকে আত্মপ্রকাশ করে `ওয়াল`-এর কনসেপ্ট। শুরু মনের কথার অনর্গল দেওয়াল-লিখন। ফেসবুকের এই `ওয়াল` কনসেপ্ট নিয়ে জলঘোলাও কম হয়নি। অন্যের আবিষ্কার `চুরির` দায়ে ল`স্যুট হয় জ্যুকরবার্গের বিরুদ্ধে।

২০০৭-এর অক্টোবরে মাইক্রোসফটের কাছে ১.৬ শতাংশ স্টেক বিক্রি করে ফেসবুক।

নভেম্বর, ২০০৭। এল বিকন প্রোগ্রাম। ফেসবুক ব্যবহারকারীরা অন্যান্য সাইটে নিজেদের `আক্টিভিটির` গল্প করতে শুরু করলেন ওয়ালে।

২০০৮-এর এপ্রিলে শুরু হল `ফেসবুক চ্যাট`।

২০০৯-এ এল `লাইক`। এক ক্লিকেই জানিয়ে দিন কোন ছবি, স্টেটস, পোস্ট আপনার পছন্দের তালিকায় উঠে এল।

বন্ধুদের ভৌগলিক অবস্থানের উপর `নজরদারি` বাড়াতে ২০১০-এ শুরু হল `লোকেশন`।

`পাত্র` আর `স্থানের` পর এবার `কাল`। ২০১১-এ ফেসবুকে এল সময়রেখা, টাইমলাইন। গত বছরের গোড়াতেই বাধ্যতামূলক করা হল এই ফিচারটি।





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।