বিশ্বের সবথেকে বেশি মোটা মানুষদের বাসভূমি মেক্সিকো

মোটা মানুষেরর সংখ্যায় এবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে পিছনে ফেলে দিল মেক্সিকো। সেদেশের প্রায় ৩৩% শতাংশ মানুষই পড়ছেন স্থূলকায়ের তালিকায়। মাত্রাতিরিক্ত জাঙ্কফুড আর নরম পানীয়কেই এরজন্য দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Updated: Jul 12, 2013, 05:54 PM IST

মোটা মানুষেরর সংখ্যায় এবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে পিছনে ফেলে দিল মেক্সিকো। সেদেশের প্রায় ৩৩% শতাংশ মানুষই পড়ছেন স্থূলকায়ের তালিকায়। মাত্রাতিরিক্ত জাঙ্কফুড আর নরম পানীয়কেই এরজন্য দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা।
জিভে জল আনা মেক্সিকান ফুড। রং থেকে স্বাদ। সবেতেই অনবদ্য। কিন্তু, এইসব লা-জবাব খাবারই এখন চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে মেক্সিকা সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগের কপালে। কারণ আর কিছুই না। দেশে ক্রমশ বাড়ছে স্থূলকায় মানুষের সংখ্যা। পরিসংখ্যান বলছে পূর্ণবয়স্ক মানুষের মধ্যে সত্তর শতাংশই পড়ছেন সেই তালিকায়। বাদ যাচ্ছে না শিশুরাও। পঁয়ত্রিশ শতাংশ শিশুর শরীরে জমেছে অতিরিক্ত মেদ। কিন্তু, কেন এই পরিস্থিতি?
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নরম পানীয়ই সবথেকে বেশি সর্বনাশ করছে। বিশ্বের সবথেকে বেশি নরম পানীয় পান করেন মেক্সিকোর মানুষ। বছরে একজন মেক্সিকান গড়ে ১৬৩ লিটার নরম পানীয় পান করেন। তবে, এটাই একমাত্র কারণ না। প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাস থেকে ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছেন মেক্সিকানরা। অনেক বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ছেন জাঙ্কফুডের ওপর। ফল যা হওয়ার তাই। এখন মোটা মানুষের সংখ্যার দৌড়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে পিছনে ফেলে দিয়েছে মেক্সিকো।
এখানেই শেষ না। অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে এখন বহু মেক্সিকানই ছুটছেন হাসপাতালে। করাচ্ছেন মেদ ঝরানোর অস্ত্রোপচার। এই পরিস্থিতিতে উদ্বেগের কথা  শুনিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাতলেছে দাওয়াই। দিনে অন্তত একঘণ্টার এক্সারসাইজ। সঙ্গে পর্যাপ্ত ফল আর শাকসব্জি। এই নিয়ম মেনে চলতে পারলেই মোটা হওয়ার প্রতিযোগিতায় নিজেকে পিছনের সারিতে রাখতে পারবে মেক্সিকো। কিন্তু, রাস্তার ধারের রেস্তোরাঁর ট্যাকোস বা টোর্টাসের হাতছানি কি সহজে এড়াতে পারবেন মেক্সিকানরা?