আবহাওয়া খারাপ, তাই সাহস ঝাঁপ আপাতত বাতিল

Update: October 10, 2012 09:56 IST

ঝোড়ো হাওয়ার কারণে স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার থেকে ঝাঁপ দেওয়ার পরিকল্পনা বাতিল করলেন অস্ট্রিয়ার স্কাই-ডাইভার ফেলিক্স বমগার্টনার। বুধবার ভূপৃষ্ঠের ২৩ মাইল উপরে বায়ুমণ্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার থেকে ঝাঁপ দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাঁর। ঠিক ছিল একটি বিশালাকায় হিলিয়াম বেলুনে চড়ে স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে যাবেন তিনি। তারপর, সেখান থেকে ঝাঁপ দেবেন মেক্সিকোর মরুভূমিতে। হিলিয়াম বেলুনে সওয়ার হতে মঙ্গলবার সকালে প্রস্তুতিও নিয়ে ফেলেছিলেন তিনি। কিন্তু, ঝোড়ো হাওয়ার কারণে হিলিয়াম বেলুনটিকেই তৈরি করা যায়নি।
 স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার থেকে সফলভাবে ঝাঁপ দিতে পারলে সময়ের থেকে দ্রুতগতিতে ভূপৃষ্ঠে পৌঁছনোর রেকর্ড করতে পারতেন ফেলিক্স। ভেঙে যেত আজ পর্যন্ত ডাইভিংয়ের যাবতীয় রেকর্ড। আবার অন্য বিপদের আশঙ্কাও ছিল। অবাধে পতনশীল বস্তুর ওপর বায়ুমণ্ডলের যে চাপ পড়ে, সেই চাপ সহ্য করতে হত ফেলিক্সের শরীরকেও। যার ফলে তাঁর মৃত্যুও হতে পারত। এক কোটি কুড়ি লক্ষ ফুট ওপর থেকে ঝাঁপ দেওয়ার পর, মাটি থেকে মাত্র পাঁচ হাজার ফুট ওপরে প্যারাশ্যুট খোলার কথা ছিল তাঁর। সেই সময় তাঁর গতিবেগ হত ঘণ্টায় প্রায় ৭০০ মাইল। সেই প্রবল গতিবেগে প্যারাশ্যুট খুলতে ব্যর্থ হলেও মৃত্যু নিশ্চিত ছিল।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।