বাংলাদেশে পোষাক কারখানায় আগুন, মৃত অন্তত ১৫০

শনিবার গভীর রাতে বাংলাদেশে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু হয়েছে অন্ততপক্ষে ১৫০ জনের। ঢাকার খুব কাছেই একটি বহুতল পোষাক কারখানায় গতকাল রাতে আগুন লাগে। রবিবার সকালের মধ্যেই ১৫০ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করেন দমকল কর্মীরা। মৃতের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে বলে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন ঢাকার অগ্নি নির্বাপক দফতরের প্রধান মহম্মদ মেহেবুব। যে সময় এই আগুন লাগে তখন রাতের শিফটে ২০০০ জন কর্মী ওই কারখানায় কর্মরত ছিলেন।

Updated: Nov 25, 2012, 11:23 AM IST

শনিবার গভীর রাতে বাংলাদেশে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু হয়েছে অন্ততপক্ষে ১৫০ জনের। ঢাকার খুব কাছেই একটি বহুতল পোষাক কারখানায় গতকাল রাতে আগুন লাগে। রবিবার সকালের মধ্যেই ১৫০ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করেন দমকল কর্মীরা। মৃতের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে বলে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন
ঢাকার অগ্নি নির্বাপক দফতরের প্রধান মহম্মদ মেহেবুব। যে সময় এই আগুন লাগে তখন রাতের শিফটে ২০০০ জন কর্মী ওই কারখানায় কর্মরত ছিলেন। আক্রান্তদের উদ্ধারকার্য এখনও চলছে বলেও মেহেবুব জানিয়েছেন।
অগ্নিকাণ্ডে আতঙ্কিত হয়ে কয়েকজন শ্রমিক বহুতলটি থেকে ঝাঁপ মারায় গভীর আঘাত প্রাপ্ত হন। বেশ কিছু শ্রমিকের এই আঘাতেই মৃত্য হয়েছে। বাকিরা কারখানাতেই অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা গিয়েছেন। কারখানাটির বাইরে শ্রমিক পরিবারগুলির অন্তত্য হাজার খানেক মানুষ ওই কারখানায় বাইরে চরম উৎকণ্ঠা নিয়ে জড়ো হয়েছেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিসের সঙ্গে সেনা এবং সীমান্ত রক্ষী বাহিনীকেও প্রশাসনের তরফ থেকে নিয়োগ করা হয়েছে। ঠিক কতজন এখনও ওই কারখানায় আটকে আছেন তার সঠিক কোন তথ্য এখনও প্রশাসনের কাছ থেকে পাওয়া যায়নি। আগুন লাগার সঠিক কারণও এখনও পর্যন্ত অজানাই রয়েছে।
বাংলাদেশে এইরকম প্রায় ৪০০০ টি পোষাক কারখানা আছে। ইউরোপ এবং আমেরিকায় এখানকার পোষাকের চাহিদাও বেশ ভাল। বাংলাদেশ সরকার বার্ষিক প্রায় ২০ বিলিয়ান মার্কিন ডলার আয় করে এই পোষাক কারখানা গুলি থেকে। কিন্তু আজকের এই ঘটনা এই কারখানাগুলির নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতখানি ঠুনকো তাই চোখে আঙুল দিয়ে প্রমাণ করে দিয়ে গেল।