লন্ডনে অলিম্পিক পার্কের কাছেই ভয়াবহ অগ্নিকান্ড

Update: August 12, 2012 23:38 IST

দুশো দমকলকর্মীর তত্‍পরতায় আয়ত্ত্বে এল পূর্ব লন্ডনের ডেগেনহ্যামের রিসাইক্লিং সেন্টারের আগুন। স্থানীয় সময় দুপুর সোয়া একটা নাগাদ একতলা সেন্টারটিতে আগুন লাগে। তবে এই ঘটনায় কেউ হতাহত হননি।

লন্ডনে দমকল বিভাগের কর্তা জানান, বহু বছর শহরে এত বড় মাপের অগ্নিকাণ্ড ঘটেনি। তবে কীভাবে আগুন লাগে সেকথা তিনি জানাতে পারেননি। অলিম্পিক পার্ক থেকে প্রায় ছমাইল দূরে এই ঘটনাটি ঘটলেও, যেখানে অলিম্পিকের খেলাগুলি চলছে সেখানে তার কোনও প্রভাব পড়বে না। এবং সমস্যা হবে না সমাপ্তি অনুষ্ঠানেও। ঘটনাস্থলে ৪০টি ইঞ্জিন পৌছয়। বিকেল পাঁচটা নাগাদ আগুন আয়ত্তে আসে। তবে দমকলের কর্মীরা এখনও ঘটনাস্থলে উপস্থিত আছেন। সারারাত ধরেই সামগ্রিকভাবে আগুন নেভানোর কাজ চলবে বলেও জানানো হয়েছে।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।