দিল্লির সাহসীনীকে গুগলের শ্রদ্ধার্ঘ

Update: December 31, 2012 14:13 IST

দিল্লি গণধর্ষণের ঘটনা আগেই ঝড় তুলেছিল সোশাল নেটওয়ার্কিং সাইট গুলিতে। এবারে দিল্লির তেইশ বছরের সেই সাহসিনীকে শ্রদ্ধা জানাল সাইবার দুনিয়া। তাঁর স্মৃতিতে শ্রদ্ধার আলো জ্বলল গুগল ইন্ডিয়ার হোম পেজে।

সাধারণভাবে বিভিন্ন স্মরনীয় ঘটনাকে মনে রেখে হোমপেজে সংস্থার লোগোর জায়গায় ডুডলস প্রকাশ করে গুগল। দিল্লির ঘটনায় তাদের শ্রদ্ধার্ঘের ধরনটা আলাদা। দিল্লির তরুণীর স্মূতির উদ্দেশ্যে গুগলের সার্চ বক্সের নিচে এবারে জায়গা পেয়েছে একটি জ্বলন্ত মোববাতির ছবি। যার ওপর মাউস নিয়ে গেলেই স্ক্রিনে ভেসে উঠছে দিল্লির তরুণীর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ। এর আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কানেকটিকাটের নিউটাউনের স্কুলে গুলি চালানোর ঘটনাতেও এভাবেই শ্রদ্ধা জানিয়েছিল গুগল।

Post Your Comment

Total Comments:12

Thn`x ..Lets pray For (Damini)..

thank bravo google..

THANK TO GOOGLE

Bharat kannya DAMINIR sarone amader uchit buke kalo badge pore borsobaron kora. Asun cake na kete,moder fo ara na tule sudhu matro akta mombati jalai r samne akta ful rakhi.

Ami bhabte parchi na j ata desh naki jangal.Mane hay ata dhes nay,gabhir akta jangal.kenna shunechi jagale jara thake tara janoya. R amar mane hay jara dharsan ar mato jagharno kaj kare,tara janoyarer thekeo beshi kichu.oi lok guli asle ak akta janoyar.tai atake r desh bala jay na.

MANY MANY THANKS TO GOOGLE

Thanks 2 GOOGLE...

THANKS GOOGLE,VERY VERY NICE UR PERFORMANCE.WE ARE WAITING UR FUTURE PERFORMANCE LIKE THIS.

THANKS GOOGLE,VERY VERY NICE UR PERFORMANCE.WE ARE WAITING UR FUTURE PERFORMANCE LIKE THIS.

THANKS GOOGLE,VERY VERY NICE UR PERFORMANCE.WE ARE WAITING UR FUTURE PERFORMANCE LIKE THIS.

THANKS GOOGLE,VERY VERY NICE UR PERFORMANCE.WE ARE WAITING UR FUTURE PERFORMANCE LIKE THIS.

Thanks Google! Only Indian politicians if could pay true homage to this braveheart!

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।