সরকার গঠনের তৎপরতায় ঋণগ্রস্ত গ্রিস

Update: June 19, 2012 11:50 IST

গ্রিসে জোট সরকার গঠনের তত্‍পরতা তুঙ্গে। নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল নিউ ডেমোক্র্যাসিকে সরকার গঠনের জন্য বুধবার পর্যন্ত সময় দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি কার্লোস পাপৌলিয়াস। দক্ষিণপন্থী নিউ ডেমোক্র্যাসির নেতা অ্যান্টনি সামারাস জানিয়েছেন, তিনি জাতীয় স্তরে সহমতের ভিত্তিতে জোট সরকার গঠন করতে চান। বিভিন্ন দলের সঙ্গে কথাবার্তা শুরু হলেও  এখনও কোনও কিছুই চূড়ান্ত হয়নি। সরকার গঠনে অন্যান্য দলকে পাশে পেতে অ্যান্টনি সামারাস জানিয়েছেন, তিনি গ্রিসের বেল আউট প্যাকেজের শর্ত পরিবর্তনের জন্য ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ও আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের কাছে দাবি জানাবেন।

বেল আউটের বিরোধী বামপন্থী সাইরিজা দলের প্রধান অ্যালেক্সি সাইপ্রাস জানিয়েছেন, বেল আউট-পন্থী নিউ ডেমোক্র্যাসির নেতৃত্বে সরকার গঠিত হলে তাঁরা বিরোধী আসনে বসবেন। রবিবারের নির্বাচনে তিনশো আসনের গ্রিক পার্লিয়ামেন্টে ১২৯টি আসন পেয়েছে নিউ ডেমোক্র্যাসি। একাত্তরটি আসন পেয়েছে সাইরিজা। তেত্রিশটি আসন পেয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে সোশ্যালিস্ট পাসোক পার্টি।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।