কলকাতাকে ভুলতে পারছেন না হিলারি ক্লিনটন

Update: May 11, 2012 15:08 IST

দেশে ফিরেও কলকাতাকে ভুলতে পারছেন না মার্কিন বিদেশসচিব হিলারি ক্লিনটন। মহাকরণে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাতকে এবারের ভারত সফরের অন্যতম উল্লেখযোগ্য ঘটনা বলে মনে করেন হিলারি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো একজন মহিলার হাত ধরে কীভাবে তিন দশকের বাম শাসনের অবসান হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে, দেশে ফিরে সেকথা ফলাও করে বলেছেন মার্কিন বিদেশসচিব।

টাইম ম্যাগাজিনের ১০০ জন ক্ষমতাশালী মানুষের তালিকায় রয়েছে দুজনেরই নাম। একজন আমেরিকার বিদেশসচিব এবং ভবিষ্যতের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী। অন্যজন ৩৪ বছরের বাম শাসন ঘুচিয়ে ক্ষমতায় এসেছেন মোটে একবছর। গত সপ্তাহে মহাকরণে দেখা হয়েছিল দুজনের। কিন্তু কাজের খাতিরে সারা বিশ্ব চষে ফেলা মার্কিন বিদেশ সচিব হিলারি ক্লিনটনের মনে গভীর ছাপ ফেলেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সম্পূর্ণ একক লড়াইয়ে যেভাবে পশ্চিমবঙ্গে দীর্ঘ বাম শাসনের অবসান ঘটিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দেশে ফিরে তার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন হিলারি। একজন মহিলা হিসেবে যে এই সাফল্য বাড়তি প্রশংসার দাবি রাখে সেকথাও বলতে ভোলেননি আমেরিকার সবচেয়ে ক্ষমতাধর মহিলা।

কলকাতা সফরে আইসিসিআরে পাচারকারীদের হাত থেকে উদ্ধার হওয়া মেয়েদের সঙ্গে দেখা করেছিলেন হিলারি। দেশে ফিরে সেই মেয়েদের লড়াইয়ের কথাও বলেছেন তিনি। সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রতিকূলতাকে দূরে সরিয়ে রেখে এই মেয়েদের লড়াই যে বিশ্বের এগিয়ে থাকা দেশগুলির কাছেও দৃষ্টান্ত হতে পারে, সেকথা মনে করিয়ে দিয়েছেন আমেরিকার প্রাক্তন ফার্স্টলেডি হিলারি ক্লিনটন।

Post Your Comment

Total Comments:1

It is an open fact, that Mamata Banerjee dislodged the CMP govt. with the help of America. She spent millions and millions of rupees during the election. She used 2 copters for campaigning and distributed crores and crores of rupees to her people.Where from she got so much money ? No body dares to raise such question. The lady is not at at all an educated person. We heard that once she managed a doctorate degree from a non existent university at America. People should know the truth. CPM could not capitalize the very truth that she had links with the maoists and also had link with the law lessness crowd at Darjeeling. We are unlucky that CPM has no such leader who can deliver the truth to the masses. The white haired CPM leaders should make way for the young generation. Let the leaders of DYFI and matured SFI leaders snatch the mantle from the old

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।