হুমায়ুন আহমদের শেষকৃত্য আজ

Update: July 23, 2012 23:31 IST

প্রার্থনার পর ঢাকার কাছে সুহাস পল্লিতে সমাধিস্থ করা হবে বাংলাদেশের বিশিষ্ট সাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদের দেহ। রবিবার বাংলাদেশের সময় সকাল ৯ টা নাগাদ কফিনে করে নিউইয়র্ক থেকে এমিরেটস এয়াওয়েজের বিমানে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয় তাঁর দেহ। প্রয়াত লেখককে চির বিদায় জানাতে, জেএফকে বিমানবন্দরে হাজির ছিলেন বহু মানুষ। এছাড়াও ছিলেন রাষ্ট্রসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের বিশেষ দূত আবদুল মোমেন সহ দূতাবাসের একাধিক আধিকারিক।

দুবাই হয়ে আজ স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে ঢাকার শাহ জালাল বিমানবন্দরে পৌঁছোয় হুমায়ুন আহমেদের মরদেহ। সকাল ১১ টা থেকে দুপুর দুটো পর্যন্ত লেখকের মরদেহ শায়িত থাকবে শহিদ মিনার চত্বরে। সেখানেই প্রিয় লেখককে শ্রদ্ধা জানাবেন তাঁর ভক্তরা। মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটে নাগাদ জাতীয় ইদগা থেকে হুমায়ুন আহমেদের মরদেহ নিয়ে শোকযাত্রা শুরু হবে। তারপর সুহাশ পল্লিতে সমাধিস্থ করা হবে দেহ। যদিও লেখকের ছোট ভাই এহেসান হাবিব জানিয়েছেন, পরিবারের ইচ্ছে আজই বনানি কিংবা মিরপুরে সমাধিস্থ করা হোক হুমায়ুন আহমেদের দেহ। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন তাঁর স্ত্রী শাওন।

প্রায় ৯ মাস ধরে ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই চালানোর পর, বৃহস্পতিবার রাতে নিউইয়র্কের হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন হুমায়ুন আহমেদ। তাঁর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্ট।

Post Your Comment

Total Comments:1

Akta currection: Shuhash polli noy jaygatar nam Nuhash polli

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।