হাফিজ সইদ নিয়ে পাকিস্তানের ওপর চাপ বাড়াল ভারত

Update: May 24, 2012 11:34 IST

মুম্বই কাণ্ডের মুল চক্রী হাফিজ সইদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পাকিস্তানের ওপর চাপ বাড়াল ভারত। বৃহস্পতিবার ইসলামাবাদে পাক অভ্যন্তরীণ সচিব খাজা সিদ্দিক আকবরের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন স্বরাষ্ট্রসচিব আর কে সিং। ওই বৈঠকে মুম্বই মামলার বিচারপ্রক্রিয়ার শ্লথ গতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্বরাষ্ট্রসচিব আর কে সিং। পাশাপাশি দাউদ ইব্রাহিম এবং পলাতক  ইন্ডিয়ান মুজাহিদিন সদস্যদের হস্তান্তরের দাবিও জানিয়েছে ভারত। সন্ত্রাস ইস্যুর পাশাপাশি বৈঠকে ভিসা সমস্যা, মাদক পাচারের মত বিষয়ে নিয়েও দুপক্ষের আলোচনা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ইসলামাবাদে শুরু হয়েছে ভারত-পাক স্বরাষ্ট্রসচিব পর্যায়ের বৈঠক। দু`দিনের এই বৈঠকে ১২ সদস্যের ভারতীয় প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব রাজকুমার সিং। ভারতীয় প্রতিনিধি দলের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন, কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাবিভাগ(আইবি)-র প্রধান নেচল সান্ধু এবং জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা(এনআইএ)-র কর্ণধার এস সি সিনহা।

গত বছরের মার্চে শেষবার দিল্লিতে ভারত-পাক স্বরাষ্ট্রসচিব পর্যায়ের বৈঠক হয়েছিল। গতমাসে, পাক প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারির এক দিনের সফরের সময় ভারত-বিরোধী সন্ত্রাস দমনে তাঁকে উদ্যোগী হওয়ার কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। মনমোহন-জারদারি বৈঠকের পর আজ স্বরাষ্ট্রসচিব পর্যায়ের আলোচনায় বসতে চলেছে দুই প্রতিবেশী দেশ।





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।