ইরাকে ধারাবাহিক বিস্ফোরণে মৃত ৫৬

Update: June 13, 2012 15:21 IST

ধারাবাহিক বিস্ফোরণে ইরাকে ৫৬ জনের মৃত্যু হল। বুধবার কাকভোরে সে দেশের রাজধানী বাগদাদ-সহ একাধিক শহরে পর পর বিস্ফোরণ হয়। শিয়া তীর্থযাত্রীদের লক্ষ্য করে এই হামলায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

প্রয়াত এক ধর্মগুরুর স্মরণসভায় যোগ দিতে বুধবার সকালে বিভিন্ন জায়গা থেকে বাগদাদের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন শিয়ারা। বিভিন্ন জায়গায় সেই মিছিলগুলিতে ধারাবাহিক বিস্ফোরণ ঘটায় সন্ত্রাসবাদীরা।

পুলিস জানিয়েছে, ভোর পাঁচটা নাগাদ উত্তর বাগদাদের শহরতলিতে শিয়াদের একটি ধর্মীয় মিছিলে প্রথম বোমটি ফাটে। বিস্ফোরণে মৃত্যু হয় ৭ জনের, আহত হন ২২ জন। এক ঘণ্টা কাটতে না-কাটতেই বাগদাদের বিভিন্ন এলাকায় আরও ৩টি বিস্ফোরণ হয়। মৃত্যু হয় ১৯ জনের। বিস্ফোরণ হয়েছে বাগদাদ থেকে ৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণে হিল্লা শহরেও। শহরের কেন্দ্রস্থলে দুটি গাড়ি বোমা বিস্ফোরণে ২১ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে, আহত হয়েছে ৫৩ জন। দক্ষিণ ইরাকের শহর কারবালাতেও শিয়াদের লক্ষ্য করে গাড়ি বোমা বিস্ফোরণ হয়। সেখানে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। বাগদাদের উত্তরে শিয়া অধ্যুষিত শহর বালাডে পর পর দুটি গাড়ি বোমা বিস্ফোরণে সাত জনের মৃত্যু হয়েছে।

এই নিয়ে এক সপ্তাহে তৃতীয় হামলার ঘটনা ঘটল বাগদাদে। এই ভাবে হামলার ঘটনা চলতে থাকলে ইরাকে নতুন করে হিংসা ছড়াতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে। বুধবারের ঘটনায় সুন্নি সন্ত্রাসবাদী ও আল-কায়দার হাত থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।