সন্ত্রাস ইস্যুতে কারজাই দুষলেন পাকিস্তানকে

Update: October 7, 2011 22:18 IST

পাকিস্তান সরকার যতদিন না আফগানিস্তানের সঙ্গে সহযোগিতা করছে,ততদিন সেখানে তালিবান ঘাঁটি নির্মূল করা যাবে না। বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে এই বলেই তাঁর দেশে সন্ত্রাসের জন্য পাকিস্তানকে দুষলেন আফগান প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই।
তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, পাকিস্তানের মদত ছাড়া তালিবানের পক্ষে একটি আঙুলও নাড়ানো সম্ভব নয়। দুহাজার চোদ্দয় তিনি ক্ষমতা ছেড়ে দেবেন বলে জানান কারজাই।
সেইসঙ্গে তিনি স্বীকার করে নেন, আফগানিস্তানের নাগরিকদের সার্বিক নিরাপত্তা দিতে পারেনি সরকার। পাকিস্তানে তালিবান জঙ্গিদের আশ্রয় শিবির ধ্বংস করার জন্য
ইসলামাবাদ সহযোগিতা করছে না বলেও ঘুরিয়ে অভিযোগ করেছেন তিনি। এই সন্ত্রাসের জন্য যে আফগান নাগরিকরাও নিরাপদে নেই, সে কথাও স্বীকার করে নিয়েছেন কারজাই। তাঁর অকপট স্বীকারোক্তি, দেশের মানুষকে সার্বিক নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে প্রশাসন। অন্য দিকে, শুক্রবারই ছিল ন্যাটো ফৌজের আফগানিস্তান যুদ্ধ শুরুর দশ বছর পূর্তির দিন। বেশ কয়েকটি বামপন্থী ও গণতন্ত্রপ্রেমী সংগঠনের তরফে এদিন কাবুলের রাস্তায় বিক্ষোভ মিছিল করে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহারের দাবি জানান হয়।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।