কেনিয়ায় অস্তিত্বের সঙ্কটে সিংহ

Update: June 21, 2012 23:20 IST

কেনিয়ার কিটেনগেলায় ৬ টি সিংহকে পিটিয়ে মারল জনতা। অভিযোগ, গত দুদিন ধরে ওই এলাকায় বেশ কয়েকটি ছাগল, গরুকে মেরে ফেলেছিল সিংহগুলি। নাইরোবি জাতীয় উদ্যান থেকেই সিংহগুলি এসেছিল বলে মনে করা হচ্ছে। এদিন সিংহগুলিকে দেখতে পেয়ে বনদফতরের কর্মীদের খবর দেওয়া হয়। কিন্তু বনকর্মীরা পৌঁছতে দেরি হওয়ায় উত্তেজিত জনতার একাংশ সিংহগুলিকে পিটিয়ে মেরে ফেলে।

এই ঘটনায় উদ্বিগ্ন কেনিয়া প্রশাসন। বনদফতরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রতি বছর কেনিয়ায় কমপক্ষে ১০০ টি সিংহের মৃত্যু হয়। গত সাতবছর ধরে এইভাবে সিংহের মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। সিংহ মৃত্যুর এই ধারা বজায় থাকলে আগামী ২০ বছরের মধ্যে কেনিয়ায় কোনও সিংহের অস্তিত্ব থাকবে না বলে দাবি করেছেন প্রাণী বিশেষঞ্জরা।   





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।