আজ ভোট লিবিয়ায়

Update: July 6, 2012 15:11 IST

তিন দশক পর অবশেষে গণতন্ত্রের স্বাদ পেতে চলেছে লিবিয়া জনগণ! গদ্দাফি-পরবর্তী লিবিয়ায় আজ ভোটগ্রহণ। দেশের জাতীয় আইনসভা পাবলিক ন্যাশনাল কনফারেন্স-এর ২০০ আসনের জন্য ভোটগ্রহণ হবে শনিবার। তার জন্য এখন সেখানে সাজো সাজো রব। রাজধানী ত্রিপোলির পাশাপাশি অন্যান্য শহরেও ভোট উপলক্ষে টানা এক মাস ধরে চলছে প্রচার।

তবে গদ্দাফি-পরবর্তী লিবিয়ায় অন্তর্বর্তী সরকারের পরিচালক বহুজদলীয় জোট ন্যাশনাল ট্রানজিশন্যাল কাউন্সিল (এনটিসি) মনে করে, নির্বাচন পরবর্তী লিবিয়ায় ইসলামিক আইনকেই কার্যকর করা উচিত। এনটিসি মুখপাত্র সালে দারুব জানিয়েছেন, পাবলিক ন্যাশনাল কনফারেন্স-এর দখল যাঁরা নেবেন, তাঁদের মাথায় রাখতে হবে লিবিয়ায় ইসলাম ধর্মালম্বী মানুষের সংখ্যাই বেশি। জেনারেল ন্যাশনাল কংগ্রেসের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের উপরই দায়িত্ব বর্তাবে, পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে দেশে নতুন নির্বাচনী আইন তৈরি ও প্রণয়নের। এনটিসি লিবিয়ার যে রূপরেখা তৈরি করেছে, তাতে কংগ্রেস সদস্যদের ৩ মাসের মধ্যে নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন সরকার গঠনের কথা বলা হয়েছে। এনটিসি-ভুক্ত ন্যাশনাল ফোর্সেস অ্যালয়েন্স, জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি, হোমল্যান্ড পার্টি, জাস্টিস অ্যান্ড করাপশন পার্টি, ন্যাশনাল ফ্রন্ট পার্টি-সহ বিভিন্ন দল অংশ নিয়েছে এই নির্বাচনে।





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।