মালয়েশিয়ার নিখোঁজ বিমানের সম্ভাব্য ধ্বংসস্তূপের খোঁজে ভারত মহাসাগরে আরও জাহাজ রওনা দিল

Last Updated: Friday, March 21, 2014 - 10:52

মালয়েশিয়ার নিখোঁজ বিমানের খোঁজে পৃথিবীর অন্যতম দূর্গম অঞ্চলের উদ্দেশ্যে অস্ট্রেলিয়া থেকে তল্লাশি বিমান রওনা দিল। অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণ পশ্চিম উপকূল ও আন্টার্টিকের জনশূন্য দ্বীপের মধ্যবর্তী ভারত মহাসাগরে যে ভাসমান ধ্বংসাবশেষ উপগ্রহের চোখে ধরা পড়েছিল তার খোঁজেই তল্লাশি বিমান ও জাহাজ রওনা দিয়েছে। আরও জাহাজ রওনা দিয়েছে ধ্বংসাবশেষের দিকে।

ভারত মহাসাগরের দক্ষিণে এই অঞ্চল এতটাই প্রান্তিক ও দূর্গম যে সেখানে পৌঁছাতেই তল্লাশি বিমান গুলি বেশ অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছে। আবহাওয়া খারাপ থাকায় ব্যহত হচ্ছে সামগ্রিক তল্লাশি অভিযান।

১৩ তম দিনে এমএইচ-৩৭০ বিমান নিখোঁজ রহস্য সমাধানের আলো পাওয়া গেল। অস্ট্রেলিয়া জানিয়েছেন স্যাটালাইটে দেখা গিয়েছে দক্ষিণ ভারত মহাসাগরে দু’টি বস্তুকে যার সঙ্গে বিমানের ধ্বংসাবশেষের মিল পাওয়া যাচ্ছে। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী টনি অ্যাবট নিজে জানান, দক্ষিণ ভারত মহাসাগরে ২৪ মিটারের দুটি বস্তুকে ভাসতে দেখা যাচ্ছে। মনে হচ্ছে ভাসমান ওই বস্তু আসলে মালয়েশিয়ার নিখোঁজ বিমানের ধ্বংসাবশেষ। অসি উপকূলের এক নিরাপত্তাকর্মীও জানিয়েছেন, পার্থ থেকে প্রায় আড়াই হাজার কিলোমিটার দূরে দক্ষিণ ভারত মহাসাগরে খোঁজ পাওয়া বস্তুগুলি খুবই অস্পষ্ট।

এরপরই তল্লাশি অভিযানে আলাদা মাত্রা পেল। দুটি দল আলাদা আলাদা ভাবে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিম প্রান্তে দক্ষিণ ভারত মহাসাগরের উদ্দেশ্যে রওনা দিল। ভারতীয় সময় সন্ধ্যা ৬টার দিকে প্রথম দলটি ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাবে। পরে আরও তিনটি বিমান সেখানে পাঠানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি। এদিকে, এ দিন নতুন করে আরও ছ’লক্ষ বর্গ কিলোমিটার এলাকায় সন্ধান শুরু হওয়ায় এই মুহূর্তে মোট প্রায় আশি লক্ষ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে খোঁজ চলছে নিখোঁজ বিমানের।

অস্ট্রেলিয়ার উদ্ধারকারী জাহাজ এইচএমএএস-র পৌঁছাতে আরো কয়েক দিন সময় লাগবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ৷

২৩৯ জন যাত্রী নিয়ে মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের এমএইচ৩৭০ উড়ালের বিমানটি নিখোঁজ হয় ৮ই মার্চ ভোর৷ কুয়ালালামপুর থেকে বেজিং যাওয়ার পথে বিমানটি হারিয়ে যাওয়ার কারণ এখনো জানা যায়নি৷ বিমানটিকে খুঁজে বের করতে তল্লাশি অভিযান চলছে৷ ২৬টি দেশ স্থল, নৌ ও আকাশপথে এ অভিযান চালাচ্ছে৷



First Published: Friday, March 21, 2014 - 10:52


comments powered by Disqus