হাফিজের বিচার, প্রতিশ্রুতি দিল না পাকিস্তান

Update: May 25, 2012 16:07 IST

ইসলামাবাদে ভারত-পাক স্বরাষ্ট্রসচিব পর্যায়ের দু`দিনের বৈঠক শেষ হল। মুম্বই হামলার মূল চক্রী হাফিজ সইদকে বিচারের কাঠগড়ায় তোলা নিয়ে এবারও পাকিস্তানের কাছে কোনও সুনির্দিষ্ট আশ্বাস মিলল না। আজ পাক অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী রেহমান মালিকের সঙ্গে দেখা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব আর কে সিং। সাক্ষাতের পর রেহমান মালিক বলেন, হাফিজ সইদ সম্পর্কে ভারতের দেওয়া তথ্যপ্রমাণ তাঁরা খতিয়ে দেখবেন। তবে, জামাত উদ-দাওয়া প্রধানের বিরুদ্ধে এখনই ব্যবস্থা নেওয়ার মতো জায়গায় তাঁরা নেই। ভিসা প্রক্রিয়া সরল করা নিয়ে চুক্তির আশা থাকলেও এবারের স্বরাষ্ট্রসচিব পর্যায়ের বৈঠকে শেষ পর্যন্ত তা হল না। ইসলামাবাদের বক্তব্য, এনিয়ে রাজনৈতিক স্তরে আরও আলোচনা হওয়া দরকার। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার ইসলামাবাদে পাক অভ্যন্তরীণ সচিব খাজা সিদ্দিক আকবরের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন ভারতীয় স্বরাষ্ট্রসচিব আর কে সিং-সহ ভারতীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের মোট ১২ জন প্রতিনিধি। দু`দিনের এই বৈঠকে পাক মাটিতে ভারত বিরোধী জঙ্গি সংগঠনগুলির প্রশিক্ষণ শিবির বন্ধ করা এবং ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার বিষয়ে আলোচনা হলেও কোনও ইতিবাচক সিদ্ধান্ত গ্রহণ সম্ভব হয়নি।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।