খরচ কমাতে কোপ পড়ছে নোবেল পুরস্কারমূল্যে

Update: June 12, 2012 17:32 IST

মন্দার অভিঘাত এড়াতে পারছে না নোবেল কমিটিও! আর তাই কোপ পড়ছে পুরস্কার মূল্যে!

সোমবার এক বিবৃতিতে নোবেল ফাউন্ডেশন-এর তরফে জানান হয়েছে, বিগত এক দশকে বাজারে বিনিয়োগ থেকে আয় কমেছে সংস্থার। অন্যদিকে খরচ বেড়েছে অনেকটাই। এই পরিস্থিতিতে পুরস্কারমূল্য ২০ শতাংশ কমাতে বাধ্য হচ্ছেন তাঁরা। নয়া নিয়মে ১ কোটি সুইডিশ ক্রাউন (১০ লক্ষ ১১ হাজার মার্কিন ডলার) থেকে নোবেল পুরস্কারমূল্য কমে হচ্ছে ৮০ লক্ষ সুইডিশ ক্রাউন।

পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, চিকিত্‍সাবিদ্যা, সাহিত্য, অর্থনীতি এবং শান্তির ক্ষেত্রে কৃতিত্ব প্রদর্শনের কারণে চলতি বছর যাঁদের নোবেল দেওয়া হবে, তাঁরা কম মূল্যের পুরস্কারই পাবেন। এমনকী ব্যয়সংকোচের প্রভাব পড়ছে, ফি ডিসেম্বরের স্টকহোম ও অসলোয় নোবেল পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে‌ও! নোবেল ফাউন্ডেশনের চিফ এক্সিকিউটিভ লারস হেইকেনস্টেন জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে পুরস্কারমূল্য চালু থাকার কারণে আয়-ব্যয়ের ভারসাম্য অনেকটাই নষ্ট হয়ে গিয়েছে। তাই এ বিষয়ে পদক্ষেপ করাটা জরুরি ছিল। প্রসঙ্গত, ডিনামাইটের আবিষ্কর্তা আলফ্রেড নোবেলের উপার্জিত অর্থে ১৯০০ সালে তৈরি হয়েছিল নোবেল পুরস্কার তহবিল। মন্দার প্রভাবে এই প্রথম ব্যয়সংকোচের নীতি নিল নোবেল ফাউন্ডেশন!

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।