নরওয়ে শিশু হস্তান্তর: আজ কাটতে পারে জট

Update: April 23, 2012 12:08 IST

সোমবার কাটতে পারে নরওয়ে শিশু হস্তান্তর জটিলতা। এদিন নরওয়ের স্ট্যাভেঞ্জার আদালতে শিশু দুটির ভবিষ্যত্‍ নিয়ে ফের শুনানি হবে। আইনজীবীদের ধারণা, এই শুনানির পর কাটতে পারে যাবতীয় জট।

গত মাসেই মামলায় যাবতীয় অভিযোগ প্রত্যাহার করেছিল নরওয়ের শিশুকল্যাণ দফতর। তিন বছরের অভিজ্ঞান ও এক বছরের ঐশ্বর্যকে তাদের কাকা অরুণাভাস ভট্টাচার্যের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য সুপারিশও করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট দফতরের পক্ষ থেকে। তাই গত ১৭ এপ্রিল শুনানির সময়েই এই বিতর্ক কাটার বিষয়ে আশাবাদী ছিলেন দম্পতির আইনজীবীরা। তবে সেদিন শুনানিতে মামলাটির নিষ্পত্তি না-হওয়ায় ২৩ এপ্রিল ফের শুনানির নির্দেশ দেয় আদালত। সোমবারের শুনানির পরে দুই শিশুকে কাকার হাতে তুলে দেওয়ার ব্যাপারে আর কোনও জটিলতা থাকবে না বলেই মনে করছেন আইনজীবীরা।

গত বছর মে মাসে শিশু দুটিকে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছিল নরওয়ে শিশু কল্যাণ দফতর। কয়েকবার আশার আলো দেখা গেলেও এর আগে মূলত নরওয়ের শিশুকল্যাণ দফতরের আপত্তিই ভেস্তে যায় শিশু হস্তান্তরের প্রক্রিয়া। শেষ পর্যন্ত গত মার্চ মাসে দক্ষিণ কোরিয়ার সিওলে আন্তর্জাতিক পরমাণু নিরাপত্তা শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে বিষয়টি নিয়ে নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী জেন্স স্টোলেনবার্গের সঙ্গে বৈঠক করেন মনমোহন সিং। তখনই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখার আশ্বাস দেন নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।