দুর্নীতির অভিযোগ হঠাল ন্যাব, স্বস্তিতে পাক প্রধানমন্ত্রী

Update: January 17, 2013 13:20 IST

প্রধানমন্ত্রীকে গ্রেফতার করার ইস্যুতে সরাসরি দেশের সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে সংঘাতের পথে পাকিস্তান সরকার। সোমবার একটি দুর্নীতির মামলায় প্রধানমন্ত্রী রাজা পরভেজ আশরফকে গ্রেফতার করার নির্দেশ দেয় পাক সুপ্রিম কোর্ট। গতকালের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীকে কোর্টে হাজির করার নির্দেশও দিয়েছিল সর্বোচ্চ আদালত। কিন্তু রাজা পরভেজ আশরফকে গ্রেফতার করা হয়নি।

পাকিস্তানের দুর্নীতি দমন শাখা ন্যাব সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অগ্রাহ্য করে আজ পরিস্কার প্রধানমন্ত্রীকে গ্রেফতার করার ব্যাপারে তাদের আপত্তি জানিয়ে দিয়েছে। ন্যাবের প্রধান ফরিদ বুখারির দাবি, "দুর্নীতির মামলায় পাক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট প্রমাণ নেই।" সেই কারণেই তাঁকে গ্রেফতার করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে ন্যাব।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।