ভোটে জিতে ওবামা বেরোলেন বিদেশ সফরে

Update: November 18, 2012 19:27 IST

দ্বিতীয় বার মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচিত হওয়ার পর এই প্রথম বিদেশ সফরে বের হলেন বারাক ওবামা। দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথম বিদেশ সফরে রবিবার থাইল্যান্ডে আসেন ওবামা। ব্যাঙ্ককের ডন মুয়াং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কড়া নিরাপত্তার বেড়াজালে নামার পরই তাঁর স্বভাবসিদ্ধ ঢঙে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়ে দেন দুদেশের মধ্যে আরও গভীর সম্পর্ক স্থাপনের জন্যই তাঁর এই সফর।

হোয়াইট হাউস সূত্রের খবর, ওবামার এরপর যাবেন মায়ানমার ও কম্বোডিয়ায়। মায়ানমারের সাম্প্রতিক অশান্ত পরিস্থিতিতে ওবামার এই বিদেশ সফর বিশেষ তাত্‍পর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। হোয়াইট হাউসের আশা ওবামার সফর মায়ানমারে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করবে। ওবামার সফরসঙ্গী মার্কিন ডেপুটি জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা বেন রোডস সাংবাদিকদের বলেন, উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সামরিক বন্ধন কমিয়ে আনার জন্যই মায়ানমারের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

একই সঙ্গে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দক্ষিণ চীন সাগরের সীমানা বিতর্ক নিয়ে চীনের প্রতি চাপ প্রয়োগ করতে শরিক দেশগুলোর প্রতি সমর্থন জানানোর জন্যই থাইল্যান্ডে ওবামার সফর বাড়তি গুরুত্ব বহন করছে। এদিকে কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন সেনের সঙ্গে বৈঠক ছাড়াও ওবামা সপ্তম পূর্ব এশিয়া সামিটে অংশ নেবেন তিনি। তিন দেশের সফর শেষ করে আগামী বুধবার সকালে ওয়াশিংটনে ফিরে যাওয়ার কথা মার্কিন প্রেসিডেন্টের।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।