বন্দুকবাজদের কড়া বার্তা মার্কিন প্রেসিডেন্টের

Update: December 18, 2012 22:06 IST

বন্দুকবাজদের হামলা আর সহ্য করা হবে না। এধরনের হামলা ঠেকাতে প্রয়োজনে সমস্ত ক্ষমতা ব্যবহার করবেন তিনি।  কানেকটিকাটের নিউটাউনের স্কুলে বন্দুকবাজের হামলায় নিহতদের স্মরণ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এমনই কড়া বার্তা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। বার বার এধরনের ঘটনা ঘটায় এখন অস্ত্র আইন নিয়েও প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন আমেরিকার মানুষ।

কানেকটিকাটের নিউটাউনে স্যানডি হুক এলিমেন্টারি স্কুলে বন্দুকবাজের হামলায়  ২০টি শিশুসহ ২৬ জনের হত্যার ঘটনায় এখনও শোকে স্তব্ধ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বন্দুকবাজের হামলা আমেরিকায় নতুন নয়। তবে এলিমেন্টারি স্কুলের শিশুমৃত্যুর ঘটনার পরে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে  নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে। নিরাপত্তা ব্যবস্থায় যে ফাঁক রয়েছে, তা স্বীকার করে নিয়েছেন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা।

সাধারণ মানুষের সত্যি কী এত আগ্নেয়াস্ত্রের প্রয়োজন আছে? এনিয়ে ইতিমধ্যেই উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন।

দু`হাজার চার সালে সেমি অটোমেটিক রাইফেলের উপর নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হয়েছে। একের পর এক বন্দুকবাজদের হামলার ঘটনায় এখন  অস্ত্র আইনের পরিবর্তন চাইছেন আতঙ্কিত মার্কিনীরা।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।