প্রচারযুদ্ধে সরগরম আমেরিকা

Update: October 9, 2012 09:36 IST

প্রকাশ্য বিতর্কসভায় প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে ধাক্কা খাওয়ার পর ফের লস এঞ্জেলসে ভোটারদের মুখোমুখি হলেন বারাক ওবামা। ডেনভারে মিট রমনির কাছে নাস্তানাবুদ হওয়ার কথা স্বীকার করে নিয়েই রিপাবলিকান চ্যালেঞ্জারের আর্থিক নীতির সমালোচনায় সরব হলেন তিনি। অন্যদিকে, ফ্লোরিডায় নিজের প্রচারে কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্য বিমার প্রসঙ্গ তুলে ওবামার বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন রমনি।     

লস এঞ্জেলসে বারাক ওবামার প্রচারে দর্শকদের জন্য ঢালাও বিনোদনের ব্যবস্থা করেছিলেন ডেমোক্র্যাটরা। ওবামার বক্তব্যের আগে ছিল কেটি পেরি, স্টিভ ওয়ান্ডারের মতো জনপ্রিয় দুই গায়ক-গায়িকার সঙ্গীতানুষ্ঠান। পরে, নিজের বক্তব্যে খানিকটা হালকা চালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বললেন, এই দুই রকস্টার যে ভাবে রোজ নিজেদের নিখুঁতভাবে উপস্থাপিত করেন, তা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়। একইসঙ্গে, প্রতিদ্বন্দ্বী মিট রমনির ব্যয়সঙ্কোচ সংক্রান্ত পরিকল্পনারও সমালোচনা করেন ওবামা।

ওবামা যখন লস এঞ্জেলসে তখন ফ্লোরিডায় পাল্টা প্রচারে ব্যস্ত তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী। ডেনভারে টেলিভিশন বিতর্কের পর আত্মবিশ্বাসী রমনি, সরব হলেন ওবামার স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্পের সমালোচনায়।

গত বুধবার প্রকাশ্য বিতর্কে রমনির কাছে হালে পানি পাননি ওবামা। যদিও, ঠিক তার পরেই প্রকাশিত সরকারি পরিসংখ্যানে বেকারত্ব হ্রাসের তথ্য তাঁকে কিছুটা হলেও অক্সিজেন জুগিয়েছে। এই অবস্থায় পরের বিতর্কের জন্য দুই প্রেসিডেন্ট পদ প্রার্থীই ঘুঁটি সাজাচ্ছেন। আর তার আগে বিভিন্ন নির্বাচনী জনসভায় সেরে নিচ্ছেন মহড়া।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।