চাঁদের প্রথম মানুষের সম্মানে অর্ধনমিত আমেরিকার জাতীয় পতাকা

Update: August 28, 2012 19:15 IST

গত সোমবার আমেরিকার রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামা ঘোষণা করেন নিল আর্মস্ট্রংকে সমাধিস্ত করার দিন তাঁর স্মৃতির উদ্দ্যেশে আমেরিকার সরকারি ভবন ও দূতাবাস গুলির জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে।

আর্মস্ট্রংয়ের পরিবার বিশ্ববাসীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন চাঁদের মাটিতে পা রাখা প্রথম মহাকাশচারীর মৃত্যুতে সমবেদনা প্রকাশ করার জন্য। পরিবারের তরফে আরও জানানো হয়েছে কেউ তাঁকে সম্মান জানাতে চাইলে তাঁর তৈরি চিনচিন্নতি চিল্ড্রেন মেডিকেল সেন্টার (নিল আর্মস্ট্রং নিউ ফ্রন্টেয়ারস্ ইনিশিয়েটিভ) এবং টেলুরাইড ফাউন্ডেশন্ (নিল আর্মস্ট্রং স্কলারসিপ ফান্ড)-এ এসে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করতে পারেন।

বলা বাহুল্য, আর্মস্ট্রংয়ের মৃত্যুতে বিশ্বের মহাকাশ গবেষকদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্পেস ফাউন্ডেসানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইলিয়ট এইচ পুলহাম জানিয়েছেন, স্বভাবে নম্র ও মৃদুভাষী নায়ক আর্মস্ট্রং সর্বদাই কৃতজ্ঞ ছিলেন তাঁর দেশ ও বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা বিজ্ঞানীদের প্রতি। সেইসঙ্গে তিনি সবসময় নতুন প্রজন্মর উতসাহ বাড়িয়েছেন। নাসার বিভিন্ন কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করতেও দেখা গেছে নিল আর্মস্ট্রংকে।


Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।