৫ স্বাস্থ্যকর্মীকে গুলি করে খুন পাকিস্তানে

Update: December 19, 2012 15:39 IST

পাকিস্তানে গুলি করে হত্যা করা হল পাঁচ স্বাস্থ্যকর্মীকে। তাঁদের অপরাধ, তাঁরা সরকারের পোলিও টীকাকরণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিলেন। এখনও পর্যন্ত কোনও গোষ্ঠী এর দায় স্বীকার না করলেও, এর পিছনে তালিবানের হাত রয়েছে বলে ধারনা পুলিসের।

পোলিও দূরীকরণ কর্মসূচিকে দীর্ঘদিন ধরেই পশ্চিমী চক্রান্ত বলে প্রচার করে আসছে তালিবান ও অন্যান্য মৌলবাদী সংগঠনগুলি। মঙ্গলবারের হত্যালীলাগুলিতে তাদের মধ্যে কার হাত রয়েছে তা এখনও জানা যায়নি। পাকিস্তানের করাচি শহরে দুটি জায়গায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর হামলা চালায় অজ্ঞাত পরিচয় দুষ্কৃতীরা। সেই হামলায় তিনজনের মৃত্যু হয়।

সোমবারও একই কারণে করাচিতে একজনকে গুলি করে হত্যা করা হয় বলে জানা গেছে। প্রাণঘাতী এই হামলার পরেই করাচিতে পোলিও টীকাকরণ কর্মসূচি বন্ধ রাখা হয়েছে। এর পাশাপাশি উত্তর পশ্চিম পাকিস্তানের পেশোয়ারেও এক তরুণী স্বাস্থ্যকর্মীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।