সরাসরি সংঘাতের পথে পাক-আমেরিকা

Last Updated: Tuesday, September 27, 2011 - 18:43

সরাসরি সংঘাতের পথে পাকিস্তান ও আমেরিকা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, অবিলম্বে হক্কানি গোষ্ঠীসহ জঙ্গি সংগঠনগুলির সঙ্গে যোগাযোগ ছিন্ন করতে হবে পাকিস্তানকে। না হলে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের সম্ভাবনা আছে এমন ইঙ্গিতও মিলেছে।
এব্যাপারে রবিবার পাক সেনার শীর্ষকর্তাদের জরুরি বৈঠকেও আলোচনা হয়েছে বলে খবর। যদিও হক্কানিদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থার সম্ভাবনা বাতিল করেছে পাক সেনা। কূটনৈতিক সঙ্কট নিয়ে আলোচনা করতে সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছেন পাক প্রধানমন্ত্রী।

জঙ্গি সংগঠন হক্কানি গোষ্ঠী আসলে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের অংশ। মার্কিন সেনাকর্তা মাইক মুলেনের এই বিস্ফোরক মন্তব্যের জেরে টালমাটাল পাক-মার্কিন সম্পর্ক। কড়া ভাষায় মার্কিন অভিযোগের প্রতিবাদ করেছে পাকিস্তান। প্রধানমন্ত্রী ইউসুফ রাজা গিলানির দাবি হক্কানির সঙ্গে পাক গুপ্তচরসংস্থার যোগাযোগের অভিযোগ ভিত্তিহীন।
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের তিক্ততা এখন চরমে পৌঁছেছে। রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভায় যোগ দেওয়ার কর্মসূচি আগেই বাতিল করেছিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী। তাঁর প্রতিনিধি হিসেবে আমেরিকা গিয়েছেন পাক বিদেশমন্ত্রী হিনা রব্বানি খার। তাঁকেও দ্রুত দেশে ফিরে আসার নির্দেশ দিয়েছেন গিলানি। হক্কানি গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগের কথা মেনে নিলেও, মদত দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পাক প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেছেন শুধু পাকিস্তান নয়,অন্যান্য বহু দেশের সঙ্গেই হক্কানি জঙ্গি গোষ্ঠীর যোগাযোগ আছে। মার্কিন সেনেটের আর্মস সার্ভিস কমিটির শুনানিতে সেনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের দাবি, আইএসআইকে অবিলম্বে জঙ্গিদের সঙ্গে যোগাযোগ ছিন্ন করতে হবে। নাহলে সবরকম ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত থাকতে হবে ওয়াশিংটনকে। সরাসরি না বললেও, গ্রাহাম যে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের কথা বলেছেন তা নিয়ে সংশয় নেই। এব্যপারে রবিবার পাক সেনাকর্তাদের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে খবর। তবে হক্কানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযানের সম্ভাবনা খারিজ করে দিয়েছে পাক সেনা। কূটনৈতিক সঙ্কট মোকাবিলায় এবার ঘরোয়া রাজনৈতিক দলগুলির সাহায্য চেয়েছেন পাক প্রধানমন্ত্রী। উনত্রিশে সেপ্টেম্বর সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছেন তিনি।



First Published: Tuesday, September 27, 2011 - 18:43


comments powered by Disqus