তালিবান ফতোয়া অগ্রাহ্য করে গুলিতে ঝাঁঝরা পাক গায়িকা

Update: June 19, 2012 16:19 IST

তালিবানদের তরফে প্রাণনাশের হুমকি আসছিল অবিরত। তা সত্ত্বেও মুসলিম মৌলবাদের আঁতুড়ঘর পেশোয়ারে বসেই সঙ্গীত-সাধনা জারি রেখেছিলেন তিনি। মঙ্গলবার তারই মাসুল দিতে হল ঘজালা জাভেদকে। অজ্ঞাতপরিচয় জঙ্গিদের স্বয়ংক্রিয় রাইফেলের গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে গেল জনপ্রিয় এই পাক গায়িকায় দেহ।

এদিন সকালে খাইবার-পাখতুনওয়া প্রদেশের রাজধানী পেশোয়ারের ডাবগারি বাজার এলাকার ব্যস্ততম মোল্লা নাউ রাস্তা দিয়ে একটি গাড়িতে যাচ্ছিলেন ঘজালা জাভেদ। সঙ্গে ছিলেন তাঁর বাবা মহম্মদ জাভেদ এবং ছোট বোন ফারহাত বিবি। আচমকাই দুই ব্যক্তি মোটর সাইকেলে এসে গাড়ি লক্ষ্য করে স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়, ঘজালা এবং মহম্মদ জাভেদের। অল্পের জন্য বেঁচে যান ফারহাত।

প্রাথমিকভাবে পুলিসের ধারণা, হেকিমুল্লা মেহসুদের নেতৃত্বাধীন তেহরিক-ই-তালিবান গোষ্ঠীর জঙ্গিরা এই হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ী। সাম্প্রতিককালে পাক-আফগান সীমান্তে তেহরিক-ই-তালিবান গোষ্ঠীর জঙ্গিদের ডেরায় বেশ কয়েকবার বিমান হামলা চালিয়েছে ন্যাটো বাহিনী। পাক সেনার তরফেও বেশ কয়েকটি অভিযান সংগঠিত হয়েছে। কিন্তু তার ফলে যে জঙ্গিদের মনোবলে বিন্দুমাত্র চিড় ধরেনি আজকের ঘটনা তা ফের প্রমাণ করল। তবে এর পাশাপাশি উঠে আসছে অন্য একটি তথ্যও। আদতে সোয়াট উপত্যকার অধিবাসী ঘজালা দু`বছর আগে পেশোয়ারের নাগরিক জাহাঙ্গির খানকে বিয়ে করেছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ার কারণে বাবা এবং বোনের সঙ্গে পেশোয়ারেরই অন্য একটি বাড়িতে বাস করছিলেন তিনি। খুনের পিছনে পারিবারিক কলহের কোনও ভূমিকা আছে কি না, তাও তদন্ত করে দেখছে পুলিস।





Post Your Comment

Total Comments:4

era dhormo-r name ei-sob kore aar koto lojjito korbe muslim-der? chhiiiiiiiiiiiihhhh!!!!!!!

Ei ghotonay amra sakale khub mormahoto

Ei ghotonay amra sakale khub mormahoto

lojja lagche sune....chiiiii

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।