অস্থিরতার ছায়ায় পালিত ইদ উল আদা

Last Updated: Sunday, November 6, 2011 - 12:41

রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং আর্থিক সঙ্কট, এই দুইয়ের ছায়াতেই বিশ্বজুড়ে পালিত হল কুরবানির ইদ। ইদের নমাজ, কুরবানি, পরস্পর শুভেচ্ছা বিনিময়ের পরিচিত দৃশ্য দেখা গেছে সকাল থেকেই। কিন্তু একদিকে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি বাদ সেধেছে উত্‍সবের মেজাজে। অন্যদিকে লিবিয়া, সিরিয়া, ইরাক, ইয়েমেনের মত বহু দেশই উত্‍সবের দিনেও হিংসা ও অস্থিরতার ছায়া থেকে মুক্ত হতে পারেনি।
ইদ অল আদা বা কুরবানির ইদ। আত্মত্যাগের বার্তা নিয়ে আসে এই উত্‍সব। সেই ত্যাগের প্রতীক হল কুরবানি। কিন্তু অস্বাভআবিক মূল্যবৃদ্ধি ইদ অল আদার সেই গুরুত্বপূর্ণ প্রথায় থাবা বসিয়েছে। বহু ক্ষেত্রে কুরবানির পশু কিনতে নাভিশ্বাস উঠেছে সাধারণ মানুষের। তবু এ সব সত্ত্বেও বাংলাদেশ, মিশরের মত বহু দেশেই প্রথামত সকালের নামাজ, শুভেচ্ছা বিনিময়ের পরিবেশে কোনও ভাঁটা পড়েনি। চার দশকে এই প্রথম গদ্দাফি বিহীন লিবিয়াতে ইদ পালিত হয়েছে। মিসরাতা, বেনগাজি, ত্রিপোলি, ইদের উত্‍সবে খুশির ছোঁয়া ছিল। এই উপলক্ষে গৃহযুদ্ধে নিহতদের স্মরণ করেছেন সাধারণ মানুষ। কিন্তু উত্‍সবের ছোঁয়া লাগেনি গদ্দাফির জন্মস্থান সির্তেতে। গৃহযুদ্ধের অজস্র ক্ষতচিহ্ন নিয়ে সির্তে যেন এখনও বিষন্ন।
 
ইদের দিন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আসাদকে দেখা গেছে খোশমেজাজে। ইদের নামাজে অংশ নেওয়ার পর জমসমক্ষে এসে শুভেচ্ছাও জানান। যদিও সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং ওয়েবসাইটে পাঠানো ভিডিওতে  দেখা গেছে ইদের আগের দিনই নির্বিচারে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালিয়েছে আসাদের সেনা। ঘটনায় কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে।
 
ইরাক, আফগানিস্তান বা পাকিস্তান। জঙ্গি হামলার আশঙ্কা আর নিরাপত্তাহীনতা ছায়া ফেলেছে ইদের উত্‍সবে। প্রার্থনাই হোক বা কুরবানি। সব কিছুই হয়েছে কঠোর নিরাপত্তার ঘেরাটোপে।
 
মিশর, পশ্চিম এশিয়ার গাজা ও ওয়েস্ট ব্যাঙ্কেও পালিত হয়েছে ইদ। ইদ উপলক্ষে বরাবরের মত জেরুজালেমে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল। চেক পোস্টে প্রহরীদের সতর্ক চাউনি, সেনা টহলদারি, সব অগ্রাহ্য করেই নামাজে অংশ নিয়েছিলেন বহু মানুষ।



First Published: Monday, November 7, 2011 - 22:49


comments powered by Disqus