জেলবন্দি-পুলিস সংঘর্ষে মৃত ২৭, উত্তেজনা শ্রীলঙ্কায়

Update: November 10, 2012 21:59 IST

জেলবন্দিদের সঙ্গে পুলিসের সংঘর্ষে মৃত্যু হল অন্তত ২৭ জনের। গুরুতর আহত এক উচ্চপদস্থ পুলিস আধিকারিক-সহ তিন জন। গতকাল রাতে কলম্বোর ওয়েলিকাড়া জেলে মাদক ও মোবাইল ফোনের খোঁজে পুলিস তল্লাসি চালাতে গেলে শুরু হয় সংঘর্ষ। বন্দিরা পুলিসকে লক্ষ করে গুলি চালাতে শুরু করে। পাল্টা জবাব দেয় পুলিসও।

তাঁদের কয়েকজন সহকর্মীকে বন্দিরা আটকে রাখে বলে জানিয়েছেন জেলের আধিকারিকরা। পুলিস জানায়, সংঘর্ষ চলার সময়ই জেলের অস্ত্রাগার থেকে বন্দিরা আগ্নেয়াস্ত্র লুঠ করে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সেনা নামাতে বাধ্য হয় প্রশাসন। রাতভর সংঘর্ষ চলার পর আপাতত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। জেলের ভিতর  কোনও মৃতদেহ পড়ে রয়েছে কিনা, সংঘর্ষের সুযোগে কতজন বন্দি পালিয়েছে, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণইবা কত, প্রশাসনের তরফে এখন এ সবের হিসেবনিকেশ চলছে। দেশের সবচেয়ে বড় এই জেলটিতে বন্দি ছিলেন এলটিটিই সদস্যরা। তাঁদের কেউ এই সংঘর্ষে ঘটনায় জড়িত কিনা তা এখনও পরিষ্কার নয়। 

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।