ওয়াশিংটন ভূমিকম্পের ফুটেজ প্রকাশ করল দ্য ন্যাশনাল পার্ক সার্ভিস

Update: September 27, 2011 20:31 IST

তেইশ অগস্ট ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল আমেরিকার পূর্ব উপকূল। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৫.৮। কম্পন অনুভুত হয়েছিল রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতেও। তার জেরে কেঁপে উঠেছিল সাড়ে পাঁচশো ফুট উঁচু, ঐতিহাসিক ওয়াশিংটন সৌধ। দর্শকদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছিল আতঙ্ক। সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ে সেই ছবি। এবার ফুটেজ প্রকাশ করল দ্য ন্যাশনাল পার্ক সার্ভিস।
ছাত থেকে খোসে পড়ছে সিমেন্টের চাঁই। মাঝে মাঝে কেঁপে উঠছে দেওয়াল। অনেকে ভেবেছিলেন, ফের বোধহয় জঙ্গি হামলার শিকার আমেরিকা। তাই আতঙ্কে অনেকে দ্রুত ওয়াশিংটন সৌধের শিখর থেকে নিচে নামার চেষ্টা করছিলেন। ফলে সিঁড়িতে তখন চরম হুড়োহুড়ি। এ অবস্থায় যে কোনও সময় ঘটে যেতে পারত বড়সড় দুর্ঘটনা। কারণ মনুমেন্টের উচ্চতা নেহাত কম ছিল না। মাটি থেকে প্রায় সাড়ে পাঁচশো ফুট উঁচু। তবে নিচে নামার পর দর্শকরা বুঝতে পারেন জঙ্গি হামলা নয়, প্রকৃতির রোষের শিকার আমেরিকা।
ভূমিকম্পের পরই বন্ধ করে দেওয়া হয় ওয়াশিংটন মনুমেন্ট। ওইদিন কম্পনের জেরে আমেরিকার অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনস্থলের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খতিয়ে দেখতে, মঙ্গলবার ওয়াশিংটন মনুমেন্ট পরিদর্শন করেন ইঞ্জিনিয়ররা।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।