সেনা প্রত্যাহার ২০১৪-তে, কারজাইকে সতর্কবাণী ওবামার

Update: May 22, 2012 16:21 IST

আগামী ২০১৪ সালের মধ্যেই আফগানিস্তানের মাটি থেকে ন্যাটো বাহিনী প্রত্যাহারের কাজ সম্পূর্ণ হবে। মঙ্গলবার শিকাগোয় ন্যাটো ও সহযোগী দেশগুলির শীর্ষসম্মলেনে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিলেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা শিকাগো সম্মেলনে অংশ নেওয়া আফগান প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাইকে `সামনে কঠিন সময় আসছে` বলে সতর্ক করেছেন।

২০০১ সালে আফগানিস্তান যুদ্ধের পর থেকে রাষ্ট্রসঙ্ঘ স্বীকৃত, ন্যাটো নেতৃত্বাধীন ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাসিস্ট্যান্স ফোর্স(আইএসএএফ) সেখানে তালিবান ও আল কায়দা সন্ত্রাসবাদীদের মোকাবিলায় মোতায়েন রয়েছে। ন্যাটোর গত লিসবন শীর্ষ বৈঠকে ২০১৪ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে সনা প্রত্যাহার সম্পূর্ণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ইতিপূর্বে বারাক ওবামাও একাধিকবার আফগানিস্তান থেকে দ্রুত সেনা প্রত্যাহারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এদিন ন্যাটো মহাসচিব অ্যান্ডারস ফগ রামুসেন বলেন, `পর্যায়ক্রমে ২০১৪ সালের মধ্যেই আফগানদের হাতে তাঁদের নিরাপত্তার দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হবে। তবে এতে কোনও তাড়াহুড়ো করা হবে না। আমাদের লক্ষ্য, কৌশল এবং নির্ধারিত সময়সীমা অপরিবর্তিত থাকবে।` অবশ্য নবনির্বাচিত ফরাসী প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওলান্দ জানিয়েছেন, তাঁর সরকার চলতি বছরের মধ্যেই আফগান রণভূমি থেকে শেষ ফরাসী সেনাকেও ফিরিয়ে আনতে চায়। অন্যদিকে ওবামা সতর্কবাণী সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে হামিদ কারজাই বলেছেন, তাঁর সরকার নিজের দায়িত্বের ব্যাপারে পূর্ণমাত্রায় সচেতন।





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।