উইসকনসিনে শিখহত্যা, মনমোহনকে ফোন ওবামার

Update: August 9, 2012 13:42 IST

উইসকনসিনে শিখ গুরুদ্বারে গুলি চালনার ঘটনার জেরে প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকে ফোন করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। ৭ রেসকোর্স রোড সূত্রে খবর, বুধবার রাতে প্রধানমন্ত্রীকে ফোন করে তাঁর শোকবার্তা পাঠান হোয়াইট হাউসের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ বাসিন্দা। এই ঘটনায় যথাযথ তদন্ত হবে বলেও প্রধানমন্ত্রীকে আশ্বাস দিয়েছেন ওবামা। মার্কিন সমাজে শিখদের অবদানের জন্য কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

প্রসঙ্গত, রবিবার সকালে ওক ক্রিক অঞ্চলের একটি শিখ গুরুদ্বারে প্রার্থনা চলাকালীন আচমকাই হানা দেয় এক বন্দুকবাজ। এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ঘাতক বন্দুকবাজের গুলিতে মারা যান ৭ জন। অনেকেই গুলিতে আহত হন। ধর্মস্থানে দীর্ঘক্ষণ ধরে তাণ্ডব চালাতে থাকে এই হামলাকারী। উপস্থিত বেশ কয়েকজনকেব সে আটকে রাখে ভিতরেই। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হয় বিশাল পুলিসবাহিনী। ধর্মস্থান ঘিরে ফেলে তারা। এক সময় এক পুলিসকর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় বন্দুকবাজ। বেশ কয়েকটি গুলি লাগে ওই পুলিসকর্মীর। তবে আহত হলেও বন্দুকবাজকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন ওই পুলিসকর্মী। মাটিতে লুটি পড়ে ওই হামলাকারীর মৃত্যু হয়।

আমেরিকার মাটিতে শিখদের উপর এই হামলার ঘটনায় মার্কিন প্রশাসন ও কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে শিখ সম্প্রদায়ের ক্ষোভ ইতিমধ্যেই দানা বাঁধছে। সেই ক্ষোভ সামাল দিতে ঘটনার তদন্তের দাবিতে আমেরিকার উপর পাল্টা চাপ দিতে শুরু করেছে নয়াদিল্লিও।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।