হাওড়ায় থানায় ঢুকে পুলিসকে হুমকি, কাঠগড়ায় তৃণমূল  হাওড়ায় থানায় ঢুকে পুলিসকে হুমকি, কাঠগড়ায় তৃণমূল

শ্লীলতাহানিতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তল্লাসি করায় থানায় ঢুকে পুলিসকে হুমকির অভিযোগ উঠল। কাঠগড়ায় তৃণমূল কংগ্রেস। গত রবিরার হাওড়ার বালিটিকুরিতে এক মহিলা ব্যবসায়ীর শ্লীলতাহানি করা হয়। ভাঙচুর করা হয় তাঁর দোকান। এঘটনায় স্থানীয় ক্লাবের কয়েকজন সদস্য এবং তৃণমূল সমর্থকদের নাম জড়ায়। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে দাসনগর থানা। অভিযোগ, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হাওড়ার দাসনগর থানায় ঢুকে পুলিস অফিসার ও কনস্টেবেলদের রীতিমতো শাসানি ও হুমকি দেয় তৃণমূল কর্মীরা। অভিযুক্তদের তল্লাসি কেন করা হচ্ছে? অভিযোগ এই কারণেই চটেছিলেন তৃনমূলের ওই কর্মী সদস্যরা।  এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃনমূল নেতৃত্ব। 

বিপিএল তালিকাভুক্তদের জন্য তৈরি বাড়ি দখল তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানের! বিপিএল তালিকাভুক্তদের জন্য তৈরি বাড়ি দখল তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানের!

বিপিএল তালিকাভুক্তদের জন্য তৈরি ঘরের অর্ধেক নিজেই দখল করে নিয়েছেন পঞ্চায়েত প্রধান। এই অভিযোগ তুলেই দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার সাতগাছির নহাজারি পঞ্চায়েত অফিসে তালা ঝুলিয়ে দিলেন অন্য সদস্যরা। তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েতের প্রধানের বিরুদ্ধে সোচ্চার দলেরই অন্যরা।  গোটা বিষয়টি নিয়ে পঞ্চায়েত প্রধান অবশ্য মুখ খোলেননি।সাতগাছি বিধানসভার নহাজারি গ্রাম পঞ্চায়েত। এখানেই বিপিএল তালিকাভুক্তদের জন্য তৈরি হয়েছে একশো ছাব্বিশটি ঘর। কিন্তু, কারা পেলেন এই ঘরগুলি? অভিযোগ উঠেছে পঞ্চায়েত প্রধান মাদিয়া বিবি নিজেই বাহাত্তরটি ঘর কুক্ষিগত করেছেন। আর সেই ঘর তিনি বিলিয়ে দিয়েছেন নিজের পছন্দের লোকজনকে।

নেই দূষণ নিয়ন্ত্রন পর্ষদের ছাড়পত্র, বক্রেশ্বর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রকে চরমপত্র পরিবেশ আদালতের নেই দূষণ নিয়ন্ত্রন পর্ষদের ছাড়পত্র, বক্রেশ্বর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রকে চরমপত্র পরিবেশ আদালতের

লাগাতার ভর্ত্সনা চলছিল। এবার চরম বার্তা দেওয়া হল বক্রেশ্বর তাপবিদ্যুত কেন্দ্র কর্তৃপক্ষকে। রাজ্যের দুষণ নিয়ন্ত্রন পর্ষদের ছাড়পত্রের তোয়াক্কা না করেই কীভাবে এই বিদ্যুত কেন্দ্র চলছে তা দেখে বিষ্মিত পরিবেশ আদালত। কেন এই বিদ্যুত কেন্দ্রের উত্পাদন বন্ধ করা হবেনা এবার তা জানাতে হবে আদালতকে। রাজ্যের অন্যতম তাপবিদ্যুত কেন্দ্রের অনুমোদন আদৌ থাকবে কিনা তা এবার ঠিক করবে পরিবেশ আদালত।  বক্রেশ্বর তাপবিদ্যুত কেন্দ্রে বাড়াতে হবে ফ্লাই অ্যাশ পন্ডের সংখ্যা।  দুহাজার সালে বক্রেশ্বর তাপ বিদ্যুত কেন্দ্র তৈরির সময় তিনটি ইউনিটের জন্য একটি ছাই পুকুর তৈরি হয়। কিন্তু পরে ইউনিটের সংখ্যা বাড়লেও তৈরি হয়নি নতুন কোনও ছাই পুকুর।  ফলে দূষণের মাত্রা বেড়েছে। দূষণ বাড়ায় আদালতের দারস্থ হন পরিবেশ কর্মী সুভাষ দত্ত।