ক্যানিংয়ে সিআই অফিসে তৃণমূলের বোমাবাজি

ক্যানিংয়ে সিআই অফিসে তৃণমূলের বোমাবাজি

ফের পুলিসের অফিসে তৃণমূলের দাদাগিরি। ক্যানিংয়ের সিআই অফিসের সামনে বোমাবাজির অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। গতকাল রাতে ঘুটিয়ারি শরিফ এলাকায় নিজের গাড়িতে যাচ্ছিলেন ক্যানিংয়ের সিআই রতন চক্রবর্তী। সে সময় স্থানীয় তৃণমূল নেতা কাশেম সরদার ওই পুলিস অফিসারের উদ্দেশ্যে গালিগালাজ করে বলে অভিযোগ। অভিযোগ, গাড়ি থেকে নেমে তৃণমূল নেতাকে চড়-থাপ্পর মারেন রতন চক্রবর্তী। পরে অনুগামীদের নিয়ে সিআই অফিসে চড়াও হয় কাশেম সরদার। পুলিসের দফতরের সামনে বোমাবাজির অভিযোগ উঠেছে কাশের সরদারের বিরুদ্ধে। দফতর থেকে বেড়িয়ে এলে সিআইকে ধাক্কাও মারা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। উত্তেজনা বাড়তে থাকায় ঘটনাস্থলে পৌছন ক্যানিংয়ের এসডিপিওর নেতৃত্বে জীবনতলা ও ক্যানিং থানার বিশাল পুলিসবাহিনী। তবে পুলিসের দফতরের সামনে বোমাবাজি এবং সিআইকে ধাক্কা মারার কথা অস্বীকার করেছেন তিনি।

শিয়রে শমন, মদন তামাং হত্যাকাণ্ডে চার্জশিটে গুরুং থেকে গিরি, এখনই পাহাড় অচল করছে না মোর্চা   শিয়রে শমন, মদন তামাং হত্যাকাণ্ডে চার্জশিটে গুরুং থেকে গিরি, এখনই পাহাড় অচল করছে না মোর্চা

প্রায় পাঁচ বছর পর গোর্খা লিগ নেতা মদন তামাং হত্যা মামলায় চার্জশিট জমা দিল সিবিআই। নগর দায়রা আদালতে বিমল গুরুং, রোশন গিরি, হরকা বাহাদুর ছেত্রীসহ মোর্চার শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেয় সিবিআইয়ের স্পেশাল ক্রাই ম ব্রাঞ্চ। নাম রয়েছে বিমল গুরুংয়ের স্ত্রী আশা গুরুংয়েরও। ২০১০, ২১ মে প্রকাশ্য দিবালোকে চকবাজারের জনবহুল রাস্তায় কুপিয়ে খুন করা হয় মদন তামাংকে। সিআইডি তদন্ত শুরু করলেও সেই তদন্তে আস্থা রাখতে পারেননি মদন তামাংয়ের স্ত্রী ভারতী তামাং। আদালতের নির্দেশে সিবিআই তদন্ত শুরু হয়। তবে প্রধান অভিযুক্তদের কাউকেই গ্রেফতার করতে পারেনি কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। চার্জশিটে সিবিআই জানিয়েছে, সিআইডি হেফাজত থেকে পালানো অন্যতম অভিযুক্ত নিকল তামাং এখন নেপালে গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে। চার্জশিটে মোর্চা নেতাদের বিরুদ্ধে খুন, ষড়যন্ত্র ও দাঙ্গা বাধানোর অভিযোগ আনা হয়েছে।

কৃষ্ণনগর লোকালে বোমাবাজির ঘটনায় মৃত বিএসএফ জওয়ান কৃষ্ণনগর লোকালে বোমাবাজির ঘটনায় মৃত বিএসএফ জওয়ান

টিটাগড় স্টেশনে আপ কৃষ্ণনগর লোকালে বোমাবাজির ঘটনায় আক্রান্ত বিএসএফ জওয়ানের মৃত্যু হল। গতকাল এসএসকেএম হাসপাতালে রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ মৃত্যু হয় অলোক শীল নামে ওই বিএসএফ জওয়ানের। গত ১২ মে আপ কৃষ্ণনগর লোকালে করে পায়রাডাঙায় বাড়ি ফিরছিলেন গুজরাটে কর্মরত ওই জওয়ান। ট্রেনের মধ্যে তাঁর জিনিসপত্র ছিনিয়ে নিতে চায় দুষ্কৃতীরা। বাধা দিতে গেলে তাঁকে চপার দিয়ে আঘাত করা হয়, পরে বোমের আঘাতে গুরুতর জখম হন অলোক শীল। প্রথমে বি আর সিং হাসপাতালে চিকিৎসা শুরু হলেও পরে তাঁকে স্থানান্তর করা হয় এসএসকেএমে। গতকাল বিকেল থেকে শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। পরিবারের অভিযোগ, চিকিত্সার গাফিলতিতেই মৃত্যু হয়েছে ওই বিএসএফ জওয়ানের।