মেয়াদ শেষ তবু বহালতবিয়তে তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধান

পাঁচ বছরের কাজের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। নির্বাচনী আচরণ বিধি লাগু হয়ে যাওয়ায় কাজের দায়িত্ব বর্তেছে বিডিওর ওপর। কিন্তু তবুও দফতরে এসে কাজ করছেন মহিষাদল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তৃণমূলের শুভ্রা মিশ্র। ব্যবহার করছেন সরকারি গাড়িও। ইতিমধ্যেই বিষয়টি শুরু হয়েছে বিতর্ক।

Updated: Jul 2, 2013, 09:36 AM IST

পাঁচ বছরের কাজের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। নির্বাচনী আচরণ বিধি লাগু হয়ে যাওয়ায় কাজের দায়িত্ব বর্তেছে বিডিওর ওপর। কিন্তু তবুও দফতরে এসে কাজ করছেন মহিষাদল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তৃণমূলের শুভ্রা মিশ্র। ব্যবহার করছেন সরকারি গাড়িও। ইতিমধ্যেই বিষয়টি শুরু হয়েছে বিতর্ক।
পঞ্চায়েত নির্বাচনের ভাগ্য ঝুলে রয়েছে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের ওপর। দীর্ঘ তিন মাস ধরে চলা পঞ্চায়েত জট কাটাতে শীর্ষ আদালত পাঁচ দফায় ভোট করার নির্দেশ দিলেও রমজান মাসের আগে ভোট করার আর্জি জানিয়ে ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে সরকার। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি পঞ্চায়েতের মেয়াদ ফুরিয়েছে। মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় প্রশাসক হিসাবে পঞ্চায়েতগুলির কাজকর্মের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন বিডিওরা। কিন্তু পূর্ব মেদিনীপুরের মহিষাদল পঞ্চায়েতে সভাপতি শুভ্রা মিশ্রের বিরুদ্ধে নিয়মভঙ্গের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, পাঁচ বছরের মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়ার পরও তিনি দফতরে বসে দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। ব্যবহার করছেন সরকারি গাড়িও।
 
বিষয়টি জানতে পেরে শুভ্রা মিশ্রকে সরকারি নির্দেশের কপি ধরিয়েছেন বিডিও। জারি হয়েছে সরকারি গাড়ি ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা। ভোটে জিতে জনগণের সেবায় কাজ করার শপথ নেন জনপ্রতিনিধিরা। সেই জনপ্রতিধিরাই নির্বাচনী আচরণ বিধিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে গণতন্ত্রকে না মেনে ভোটারদের কাছেই ভুল বার্তা দিচ্ছেন নাকি? মহিষাদল পঞ্চায়েত সমিতির এই ঘটনা কিন্তু সেই প্রশ্ন তুলে দিল।