টাওয়ার লোকেশন ধরে অপহরণের কিনারা

Update: December 22, 2012 11:06 IST

ফোনের টাওয়ার লোকেশনের সূত্র ধরেই অপহরণের কিনারা করল পুলিস। বৃহস্পতিবার আরামবাগের কাচড়া গ্রাম থেকে নিখোঁজ হয়ে যায় বছর আঠারোর যুবক মুজিবুর মণ্ডল। সন্ধেয় মুজিবরের মুক্তিপন বাবদ তিনলক্ষ টাকা দাবি করে হুমকি ফোন করে দুষ্কৃতীরা। সেই ফোনের টাওয়ার লোকেশন দেখেই মুজিবুরকে হাওড়ার জগদীশপুর থেকে উদ্ধার করে পুলিস।

আরামবাগের কাচড়া গ্রাম। বৃহস্পতিবার সকালে গ্রাম থেকে নিখোঁজ হয়ে যায় বছর আঠারোর যুবক মুজিবর মণ্ডল। সন্ধেয় খানাকুল থানায় অপহরণের অভিযোগ দায়ের করেন মুজিবুরের মা নাজিমা বিবি। এরমধ্যেই বাড়িতে হুমকি ফোন আসে। তিনলক্ষ টাকা দিলে তবেই মুজিবুরকে ছাড়া হবে বলে জানিয়ে দেয় দুষ্কৃতীরা।হুমকি ফোনের কথা আরামবাগ থানায় জানান অপহৃত যুবকের মা।

এরপর ওই হুমকি ফোনের টাওয়ারের সূত্র ধরে হাওড়ার লিলুয়ায় পৌঁছয় খানাকুল থানার পুলিস। লিলুয়া থানাকেও গোটা ঘটনা জানানো হয়। টাওয়ার লোকেশন সার্চ করে দেখায় যায় হাওড়ার জগদীশপুর এঁলাকা থেকে ফোন করা হয়েছে। তল্লাসি চালিয়ে জগদীশপুরের একটি পরিত্যক্ত গোডাউন থেকে উদ্ধার করা হয় অপহৃত মুজিবুরকে। ঘটনাস্থল থেকে গ্রেফতার করা হয় মজিবুরের বন্ধু সুকুমার সামন্তকে। মুলিস জনিয়েছে মুম্বইয়ে সোনার দোকানে কাজ করার সময়ই  সুকুমার সামন্তের সঙ্গে বন্ধুত্ব হয় মুজিবুরের।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।