হুগলিতে ফের অ্যাসিড হামলার শিকার যুবতী

Update: August 27, 2012 12:18 IST

শনিবারের ঘটনার ৪৮ ঘণ্টা না কাটতেই ফের এক মহিলার গায়ে অ্যাসিড ছোঁড়াকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল হুগলির হিন্দমোটর এলাকায়। রবিবার গভীর রাতে ওই গৃহবধূর বাড়িতে ঢুকে অ্যাসিড ছুঁড়ে দেয় দুষ্কৃতীরা। বাড়ির উঁচু প্রাচীর ডিঙিয়ে এক বা একাধিক দুষ্কৃতী জানলা দিয়ে অ্যাসিড ছোঁড়ে বলে জানিয়েছেন পরিবারে লোকজন। পরিবারের তরফে উত্তরপাড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। যদিও বছর ৪৮-এর ওই মহিলার ওপর কেন অ্যাসিড-আক্রমণ হল তা নিয়ে ধন্দে পুলিস। তবে পুলিস সাত দিনের মধ্যে অপরাধীকে গ্রেফতারের আশ্বাস দিয়েছে। আহত ওই মহিলাকে উত্তপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মহিলার অবস্থা স্থিতিশীল হলেও অ্যাসিডে দেহের বেশ কিছু জায়গায় গভীর ক্ষত তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিত্‍সকেরা।

শনিবারই হুগলির পাণ্ডুয়ার দাবড়া এলাকায় ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় তাঁর মাথায় অ্যাসিড ঢেলে দেয় এক দুষ্কৃতী। শরীরে ৫০ শতাংশ ক্ষত নিয়ে ওই তরুণী এখন হাসপাতালে ভর্তি। তাঁর অবস্থা সঙ্কটজনক। এই ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিস। ধৃতদের মধ্যে একজন ওই তরুণীর কাকা। এই ঘটনা ঘটেছে।

মায়ের সঙ্গে কিছুক্ষণের জন্য বাড়ির বাইরে বেরিয়েছিলেন তরুণী। ফেরার সময় সুইট মণ্ডল নামের এক ব্যক্তি তরুণীর মাথায় অ্যাসিড ঢেলে দেয় বলে অভিযোগ। সুইট সম্পর্কে ওই তরুণীর কাকা। পালিয়ে যাওয়ার সময় তরুণীর মা টর্চের আলোয় চিনে ফেলেন তাকে। তরুণীর মায়ের চিত্কারে ছুটে এসে প্রতিবেশীরা সুইট মণ্ডলকে ধরে ফেলেন। পরে তাকে পুলিসের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পাণ্ডুয়া থানার পুলিস সুইটকে জেরা করে রিজানুর রহমান ওরফে ডালিম নামের এক যুবককে গ্রেফতার করে। অভিযোগ, অনেক দিন ধরেই তরুণীকে উত্যক্ত করত ডালিম। প্রতিবাদ করায় ওই তরুণীকে চরম শিক্ষা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ডালিম। পুলিস জানতে পেরেছে, ১৫ হাজার টাকার লোভ দেখিয়ে ডালিম তরুণীর কাকা সুইট মণ্ডলকে হাত করে ফেলে। তাকেই অ্যাসিড ছোঁড়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়।

Post Your Comment

Total Comments:3

CM Ki Bolben Etao Sajano?

plz ami aapnader reply er wait korchi

hello 24gnanta ami bhueinpara gramer nibasi. ami jani asid a purle koto kosto hoy. tai apnader kache anuroadh plz aaporadhi der kothin sasti dite eai issu take boro karun. plz eai news bapere aro ektu janale khub bhalo hoto.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।