সিঙ্গুরের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করছেন মুখ্যমন্ত্রী, অধীর চৌধুরী

Update: December 1, 2012 13:23 IST

সিঙ্গুরের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করছেন মুখ্যমন্ত্রী। চব্বিশ ঘণ্টাকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাত্‍‍কারে এমনই অভিযোগ করলেন কেন্দ্রীয় রেল প্রতিমন্ত্রী অধীররঞ্জন চৌধুরী। তাঁর অভিযোগ, সিঙ্গুরবাসীর ভাবাবেগের সঙ্গে রাজনৈতিক তামাশা করছেন মুখ্যমন্ত্রী। তৃণমূলে তোলাবাজি, বিভিন্ন নেতার বিদ্রোহ নিয়েও বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন অধীর চৌধুরীর। রেলপ্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছিলেন আমাদের প্রতিনিধি সোমা মাইতি।

সাক্ষাৎকারটি দেখতে ক্লিক করুন এখানে

অন্যদিকে, রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলার অবনতির অভিযোগ তুলে কেন্দ্রের হস্তক্ষেপ দাবি করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দীপা দাশমুন্সি। আজ মালদা সার্কিট হাউসে তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর মনোভাব বেপরোয়া। ফলে, তাঁর দলের আচরণও একইরকম। দুষ্কৃতীরা দলে ঢুকে পড়ায় তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল বাড়ছে বলেও অভিযোগ করেন দীপা দাশমুন্সি। পরপর শিশুমৃত্যুর ঘটনায় আজ কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আবু হাসেম খান চৌধুরীর সঙ্গে মালদা মেডিক্যাল কলেজে যান তিনি। গত আটদিনে মালদা মেডিক্যালে ৩৩ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।






Post Your Comment

Total Comments:1

ADHIRBABU APNER KAHE ANURODH MAMATA BANERJI,DINESH TRIBEDI o MUKUL ROY JESOB RAILWAYER UDOBODHONI ANUSTHAN KORE CHILEN, UDBODHON ANUJAI KI KI KHATE KOTO KHAROCH HOYACHE TAR HISAB TA PROKASH KORUN.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।