রেল প্রকল্প উদ্বোধনে মমতাকে ঠুকলেন অধীর

`সস্তা হাততালি কুড়োনোর` লক্ষ্যে রাজ্যের যত্রতত্র রেল প্রকল্পের শিলান্যাস তিনি করবেন না। নদিয়ার পলাশিতে রেলের এক অনুষ্ঠানে এই ভাষাতেই তৃণমূল নেত্রীকে কটাক্ষ করলেন রেল প্রতিমন্ত্রী অধীররঞ্জন চৌধুরী। পলাশি থেকে মুর্শিদাবাদের জিয়াগঞ্জ পর্যন্ত ডবল রেললাইনের রবিবার আনুষ্ঠানিক শিলান্যাস করেন তিনি।

Updated: Nov 11, 2012, 04:30 PM IST

`সস্তা হাততালি কুড়োনোর` লক্ষ্যে রাজ্যের যত্রতত্র রেল প্রকল্পের শিলান্যাস তিনি করবেন না। নদিয়ার পলাশিতে রেলের এক অনুষ্ঠানে এই ভাষাতেই তৃণমূল নেত্রীকে কটাক্ষ করলেন রেল প্রতিমন্ত্রী অধীররঞ্জন চৌধুরী। পলাশি থেকে মুর্শিদাবাদের জিয়াগঞ্জ পর্যন্ত ডবল রেললাইনের রবিবার আনুষ্ঠানিক শিলান্যাস করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে অধীরবাবু বলেন, "বাংলার রেলপ্রকল্পগুলি বঞ্চনার শিকার হতে পারে বলে যে গুঞ্জন উঠেছে তা ঠিক নয়।" রেল নিয়ে কোনও রাজনীতি হবে না বলেও আশ্বাস দেন তিনি। যদিও রাজ্যে রেলের প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণের জন্য রাজ্য সরকারকেই সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে বলে মহাকরণের উদ্দেশ্যে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তিনি। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিতের তালিকা তৈরির সময়ও রাজনৈতিক সৌজন্যেরই বার্তা দিয়েছেন রেল প্রতিমন্ত্রী।
আজকের অনুষ্ঠানে স্থানীয় কংগ্রেস জন প্রতিনিধিরা ছাড়াও আমন্ত্রিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ তাপস পাল।  যদিও অনুষ্ঠানে যোগ দেননি তিনি। সরকারি অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণে রাজনৈতিক সৌজন্যের বার্তা আগেই দিয়েছিলেন রেল প্রতিমন্ত্রী। রবিবার পলাশি থেকে জিয়াগঞ্জ পর্যন্ত ডবল লাইন প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কংগ্রেস জনপ্রতিনিধিরা ছাড়াও আমন্ত্রিত ছিলেন তৃণমূল সাংসদ তাপস পাল। যদিও, অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় অধীর চৌধুরী ছিলেন যথেষ্টই আক্রমণাত্মক। তৃণমূল আমলে ঘোষিত রাজ্যের রেলপ্রকল্পগুলি নিয়ে তিনি তীব্র কটাক্ষ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।
রাজ্য সরকারের জমিনীতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদ। তিনি অভিযোগ করেন, সমস্ত কাজ হয়ে যাওয়ার পরেও মাত্র সাড়ে ৭ একর জমি না মেলায় আটকে রয়েছে আজিমগঞ্জ থেকে নসিপুর রেলরুটের কাজ। তাঁর দাবি, রেলের প্রকল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণের দায়িত্ব নিতে হবে রাজ্যকেই।