সিপিআইএম এজেন্টের আত্মীয়ার স্তন কাটল দুষ্কৃতীরা

Last Updated: Tuesday, May 6, 2014 - 22:48

তারকেশ্বরের নস্করপুর গ্রামে সিপিআইএম এজেন্টের আত্মীয়া আক্রান্ত হলেন। প্রণব মান নামের ওই সিপিআইএম এজেন্টের আত্মীয়ার স্তন কাটল দুষ্কৃতীরা। সেই মহিলা এখন তারকেশ্বর হাসপাতালে ভর্তি। অভিযোগের তির তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে।

এদিকে, ভোটপর্ব মিটে যাওয়ার পর থেকেই সন্ত্রস্ত হাওড়ার ডোমজুড়ের কোড়লা এলাকা। বাম কর্মী সমর্থকদের অভিযোগ, ভোটের পর দিন থেকেই বাড়ি বাড়ি হামলা চালাচ্ছে তৃণমূল সমর্থকেরা। চলছে যথেচ্ছে বোমাবাজি, ভাঙচুর ও লুঠপাট। সন্ধের পর থেকেই ওই সব এলাকা পুরুষশূন্য হয়ে যাচ্ছে বলে তাঁদের অভিযোগ। আজ ওই এলাকা পরিদর্শনে যান ভারতী মুত্‍সুদ্দি, মন্দাক্রান্তা সেন, কিন্নর রায় সহ বিশিষ্টজনেরা। ছিলেন হাওড়া আদালতের আইনজীবীরাও। বাম কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে দেখা করে এলাকার পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তাঁরা। গোটা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানানো হবে নির্বাচন কমিশন, মুখ্যমন্ত্রী এবং রাজ্য প্রশাসনকে । জানিয়েছেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।

দীর্ঘ তিন বছর পর পুলিসি নিরাপত্তায় ঘরে ফিরলেন পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরের ঘরছাড়া সিপিআইএম সমর্থকেরা। আজ ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রের সিপিআই প্রার্থী সন্তোষ রানার সমর্থনে মিছিল করেন তাঁরা। তারপর পৌছন নিজেদের ভিটেতে । তাঁদের অভিযোগ, বাড়ি ফেরার পরেও চলছে হুমকি। ফলে কাটেনি আতঙ্ক।

গত বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই ঘরছাড়া কেশপুরের পঞ্চমী গ্রামের একশোরও বেশি পরিবার। তাঁদের অভিযোগ, সিপিআইএম সমর্থক হওয়ার কারণেই গ্রামছাড়া হতে হয়েছে তাঁদের। এর আগে গ্রামে ফেরার জন্য প্রশাসনের কাছে বারংবার আর্জি জানিয়েও লাভ হয়নি বলে অভিযোগ পরিবারের সদস্যদের। পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময়ও গ্রামে ফেরার চেষ্টাও সফল হয়নি শাসকদলের বাধায়। সেই সময়ে উল্টে বেশ কয়েকজন সিপিআইএম সমর্থককে আটক করে কেশপুর থানার পুলিস।

অবশেষে রাজ্যে চতুর্থ দফা ভোটের আগের দিন কড়া পুলিসি প্রহরায় ঘরে ফিরলেন প্রায় ৫০টি পরিবার। ঘরে ফেরাদের অভিযোগ, তাঁদের বাড়িঘর ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। যাঁদের বাড়িগুলি অক্ষত, তাঁদের সর্বস্ব লুঠ করা হয়েছে।

ঘরেফেরাদের দাবি, দীর্ঘদিন পর বাড়ি ফিরেও স্বস্তি পাচ্ছেন না তাঁরা । হুমকির জেরে আতঙ্ক পিছু ছাড়ছে না তাঁদের। আপাতত বাড়ি ফিরেছেন দীর্ঘদিন পর। ভোটপর্ব মিটে গেলে ফের গ্রামছাড়া হতে হবে না তো? পিছু ছাড়ছে না সেই আশঙ্কা।



First Published: Tuesday, May 6, 2014 - 22:47


comments powered by Disqus