খিলাড়ি হচ্ছেন অজয়

Update: July 6, 2012 18:18 IST

অক্ষয় কুমারের জায়গায় এবার অজয় দেবগন। `খতরো কা খিলাড়ি`র ফিফ্‍থ সিজনে সঞ্চালকের ভূমিকায় দেখা যাবে তাঁকে। ফাইট মাস্টারের ছেলে বলে কথা। অ্যাকশন তো তাঁর রন্ধ্রে। বলিউডে তাঁর অভিষেকও ছিল অ্যাকশন হিরো হিসেবেই। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন ধরণের তরিত্রে নিজের অভিনয় দক্ষতা প্রমাণ করলেও সম্প্রতি `সিংঘম` ছবিতে আবার নিজের অ্যাকশন হিরো ইমেজ পুনরুজ্জীবিত করেছেন অজয়। আর সেই ইমেজকেই সম্পূর্ণ করতে একেবারে সঞ্চালকের ভূমিকাতেই নেমে পড়লেন অজয়।

অন্যদিকে অক্ষয়ের স্ত্রী টুইঙ্কল এখন দ্বিতীয় বারের জন্য সন্তানসম্ভবা। `খতরো কা খিলাড়ি`র শুটিং এর মধ্যেই পড়ছে টুইঙ্কলের প্রসবের দিন। আর তাই এইসময় শুটিংয়ের থেকে স্ত্রীর পাশে থাকাই অনেক বেশি জরুরি মনে করছেন অক্ষয়। তাই অগত্যাই অন্য বিকল্প খুঁজতে হয় প্রযোজকদের। বলিউড খিলাড়ির তাঁদের পছন্দ ছিল জন অ্যাব্রাহাম অথবা অজয় দেবগন। কিন্তু পরপর ৪টে ছবির শুটিং নিয়ে সারা বছরটাই প্রায় ব্যস্ত জন। তাই শেষপর্যন্ত খতরো কা খিলাড়ির সঞ্চালকের ভূমিকায় এবার অবতীর্ণ হচ্ছেন অজয়। খুব তাড়াতাড়িই শুটিং শুরু করবেন অজয়।







Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।