অন্ডাল নিয়ে সংশয় কয়লামন্ত্রীর গলায়

Update: April 19, 2012 21:22 IST

অন্ডালে প্রস্তাবিত বিমাননগরী নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিল। বৃহস্পতিবার আসানসোলে কয়লামন্ত্রী শ্রীপ্রকাশ জয়সওয়াল বলেন, প্রস্তাবিত এলাকা কয়লাসমৃদ্ধ অঞ্চল। ফলে ওই জায়গায় বিমাননগরী করার বিষয়ে আপত্তি রয়েছে কেন্দ্রের। যদিও নির্মাণকারী সংস্থার দাবি, কয়লা ইস্যুটির মীমাংসা ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে। তা সত্ত্বেও কয়লামন্ত্রীর এই মন্তব্য ঘিরে সংশয় দানা বাঁধছে। 

বর্ধমানের অন্ডালে প্রায় ১,৮০০ একর জমিতে বিমানবন্দর নগরী গড়ে তুলছে বেঙ্গল অ্যারিট্রপোলিস বা বিএপিএল। আগামী বছরের শুরুতেই চালু হয়ে যাওয়ার কথা প্রস্তাবিত বিমানবন্দরের। কাজ চলছে জোরকদমে। কিন্তু বৃহস্পতিবার আসানসোলে কেন্দ্রীয় কয়লামন্ত্রীর একটি বক্তব্যকে ঘিরে প্রকল্পের ভবিষ্যত নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
 
যদিও বিএপিএলের দাবি, কয়লার ইস্যুটি ইতিমধ্যেই মীমাংসা হয়ে গিয়েছে। কোল ইন্ডিয়ার পরামর্শ মত প্রকল্প এলাকার নতুন করে বিন্যাসও করা হয়েছে। আগের সরকারের আমলেই  কোল ইন্ডিয়া হাইকোর্টে হলফনামা দিয়ে এব্যাপারে নিজেদের সম্মতির কথা জানিয়েছিল । অসামরিক বিমান পরিবহণ দফতর ও কয়লা মন্ত্রকও এব্যাপারে নিজেদের মধ্যে সমঝোতায় পৌঁছেছিল। তারপরেও কয়লামন্ত্রীর এই মন্তব্য ঘিরে সংশয় দানা বাঁধছে।






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।