ক্ষুব্ধ সানি

Update: June 3, 2012 23:02 IST

বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচের ফলাফলের নিষ্পত্তির জন্য ডাকওয়ার্থ লুইস নিয়মকে রেখে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইসিসি। এক ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ার জয়দেবন বিকল্প এক পদ্ধতির সন্ধান দিয়েছিলেন। কিন্তু ক্রিকেট কমিটিতে আলোচনার পর তা গ্রহন করেনি আইসিসি। এই সিদ্ধান্ত  মেনে নিতে পারেননি বেশ কয়েকজন প্রাক্তন ক্রিকেটার। 

সুনীল গাভাসকর এব্যাপারে একহাত নিয়েছেন আইসিসিকে। তাঁর মতে জয়দেবন পদ্ধতিকে পরীক্ষামূলকভাবে কাজে লাগানো উচিত ছিল আইসিসির। তাঁর মতে একবছর অন্তত জয়দেবন পদ্ধতি কাজে লাগালে বোঝা যেত পদ্ধতিটির ভাল ও খারাপ দুটি দিকই। তারপর ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতির সঙ্গে জয়দেবন পদ্ধতির তুলনা টানা যেত। গাভাসকর বলেন ২০০৭ সাল থেকে ভারতে ঘরোয়া ক্রিকেটে জয়দেবন পদ্ধতিকে কাজে লাগানো হচ্ছে। বেশ জনপ্রিয়তাও পেয়েছে এই পদ্ধতি। আইসিসির পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্ত কখনও কাঙ্ক্ষিত নয় বলে মন্তব্য করেছেন সানি। 

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।